ওপেনিং সিনের সেই ঝাড়ু হাতের নাচ আর ‘চিচিং ফাঁক’, কেমন যেন রুপোলি রং নিয়ে এখনও চকচকে। ছবিটা ছিল পরিচালক দীনেন গুপ্তর ‘মর্জিনা আবদাল্লা’, সলিল চৌধুরীর সংগীত পরিচালনা। রাধা সিনেমা হলটা আজ আর নেই, আমাদের ছোটবেলার অজস্র সিঙ্গল স্ক্রিন থিয়েটারের মতোই হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে। মাথার উপরের মানুষগুলোও আজ আর কেউ নেই।
লিখছেন মৌসুমী দত্ত রায়...
এই সময় কেউ একজন জানাল তাঁর জন্য কেউ দেখা করতে এসেছে। ওই ভূতের মতো চেহারা নিয়ে বাইরে এসে দেখেছিলেন পরীর মতো সেজে মেয়েটি এসেছে। তাঁর হাতে ফুল ছিল। অতীন তাঁকে দেখে পাগল হয়ে গিয়েছিলেন। আর্জেন্টিনা কোথায়, আর কোথায় বহরমপুর। সেদিন দুই দেশ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল।
লিখছেন আদিত্য ঘোষ...
শরৎচন্দ্রের জন্মের দেড়শো বছরে বাংলার সাহিত্য-ভুবনের সেই চিরপরিচিত দ্বন্দ্বই নতুন করে ফিরে আসে। জনপ্রিয় সাহিত্য আর শিল্পোত্তীর্ণ সাহিত্যের দ্বন্দ্ব। ‘শিল্পোত্তীর্ণ সাহিত্য’ কথাটা শুনতে খানিক ‘ক্লিশে’ হলেও যে মনোভাব নিয়ে শরৎ-সাহিত্যকে মোটের উপর দেখেছে আমাদের অ্যাকাডেমিক সাহিত্যমহল, তার মূল অভিযোগটি ওই শব্দবন্ধেই ভাল বোঝানো যায়।
লিখছেন আশিস পাঠক...
কয়েক বছরের পরিশ্রম আর একাগ্র সাধনার পর এলি কোহেন তাঁর জীবনের অন্তিম তথা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের দোরগোড়ায়। জেনোয়া থেকে দামাস্কাস পর্যন্ত সেই সফরে তাঁর দেখা মিলল এমন এক অসমসাহসী ভিন্ন মানুষের সঙ্গে যে নিজের প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের জোরে নিমেষের মধ্যে অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে।
শুরু হল এলি কোহেন দ্বাবিংশ পর্ব। লিখছেন কিংশুক বন্দ্যোপাধ্যায়...
বাংলা সংগীতজগতের একটি অতি পরিচিত নাম বনশ্রী সেনগুপ্ত। শুধু পরিচিত বললে ভুল হবে, জনপ্রিয়ও বটে। বহু বিখ্যাত গীতিকার এবং সুরকারের কথা ও সুরে গান গেয়েছেন এই শিল্পী। জীবনে প্রথম তাঁর গান শুনেছিলাম কেশব চন্দ্র সেন স্ট্রিটে আমার মামাবাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে। ফাটাকেষ্টর কালীপুজোয় এসেছিলেন গান গাইতে।
লিখছেন অরিজিৎ মৈত্র...
ছবির শুটিং শুরুর প্রথম দিকে ইউনিটের অনেকেই আমজাদ খানকে নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। বিশেষ করে তাঁর গলার স্বর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেলিম-জাভেদের মনে হয়েছিল আমজাদের গলার আওয়াজ গব্বর সিংয়ের মতো খলনায়ক হিসেবে বড্ড বেশি ‘পাতলা’ বা ‘খসখসে’।
লিখছেন প্রেমেন্দু বিকাশ চাকী...
১৯৮৩ থেকে মোটামুটি ১৯৮৬-৮৭ সাল পর্যন্ত এমন একটা সময়। বাজারে হঠাৎ খুচরো পয়সার খুব আকাল দেখা দিল। এই সমস্যার সুরাহা করার জন্য বিভিন্ন বাস সংগঠনগুলি রাজ্যের পরিবহন দফতরের সাথে আলোচনায় বসে ঠিক করল, এই সংকটের মোকাবিলায় তারা বাসে কুপন চালু করবে।
লিখছেন সুধীন্দ্রকুমার চক্রবর্তী...
দিনরাত তাঁদের প্রচেষ্টা থাকে মানুষকে সুস্থ করে তোলার, মৃত্যুকে হারিয়ে জীবনকে উদযাপন করার। কিংবদন্তি চিকিৎসক ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তাই প্রতি বছর ১লা জুলাই পালন করা হয় ডক্টরস ডে। তবে স্টেথোস্কোপ, ছুরি, কাঁচি ছাড়াও বহু ডাক্তারের থাকে নিজস্ব কিছু শখ বা নেশা। বিশিষ্ট ইএনটি বিশেষজ্ঞ গৌতম বিশ্বাস যেমন ডাক্তারি পেশায় নাম করার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে লালন করে চলেছেন তাঁর ফটোগ্রাফির শখটিও। ডাক্তারি, ছবি তোলার শখ, এই সমস্ত নিয়েই আজ বাংলালাইভ তাঁর মুখোমুখি।
চিকিৎসক গৌতম বিশ্বাসের সঙ্গে কথোপকথনে সংকেত ধর...
ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত ‘উৎসব’ ছবিটিতে অন্যতম মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। সেই অভিনয় তাঁর জীবনের প্রথম অভিনয়ও! আজ ৩০ মে, পরিচালকের প্রয়াণবার্ষিকীতে 'উৎসব'-এর শুটিং ও 'ঋতুদা'র সঙ্গে বিজড়িত নানা স্মৃতির গল্প শোনালেন রাতুল শঙ্কর ঘোষ।
কথালাপে আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়...
এক অক্লান্ত সুরস্রষ্টা, এক সাঙ্গীতিক কিংবদন্তী, যাঁকে আপামর ভারতবাসী একডাকে চেনেন সলিল চৌধুরী নামে, সেই সুরসাধককে নিয়ে কলম ধরলেন এ কালের বিশিষ্ট সঙ্গীতরসিক ও গবেষক স্বপন সোম। আজ দ্বিতীয় পর্ব।
এক অক্লান্ত সুরস্রষ্টা, এক সাঙ্গীতিক কিংবদন্তী, যাঁকে আপামর ভারতবাসী একডাকে চেনেন সলিল চৌধুরী নামে, সেই সুরসাধককে নিয়ে কলম ধরলেন এ কালের বিশিষ্ট সঙ্গীতরসিক ও গবেষক স্বপন সোম।
১৮৬২ খ্রিষ্টাব্দে ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতার ‘বাবু সমাজ’-এর টিকিতে টান পড়ে। প্রহসন ও নকশাধর্মী গদ্যে দেখা যেত শ্লেষের আবরণ। কালীপ্রসন্ন সিংহ তা থেকে বের করে নিয়ে আসেন চলিত ভাষার মাধ্যমে। কলকাতার জনজীবনের কথা উঠে আসে সে লেখায়।
লিখছেন অরিন চক্রবর্তী
কিংবদন্তি শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেনের মৃত্যুর এগারো বছর পর, তাঁর তৈরি এমনই কিছু কাটআউট নিয়ে ইমামি আর্টের উদ্যোগে ‘এসেনশিয়াল ফর্মস’ শীর্ষক প্রদর্শনী সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হল কলকাতা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটিতে।
সোমনাথ হোর বলছেন,"আমি যা আঁকি তা আমার সত্তাকেই নির্মাণ করে- একান্তই নিজের 'ক্ষত'কে খুঁজে ফেরা।" এক অন্ধকার সময়ে, ছেনি বাটালি দিয়ে খুঁড়ে তুলে আনছেন তিনি।
নবতিপর শিল্পী নারায়ণ দেবনাথ পদ্মসম্মানে ভূষিত হন গতবছর, ২০২১ সালে। লাগাতার অসুস্থতা ও কোভিডজনিত সমস্যার জেরে সে পুরস্কার সম্প্রতি হাতে পেয়েছেন শয্যাশায়ী শিল্পী। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতি রোমন্থন করলেন বিবেক সেনগুপ্ত।
বর্তমান যুগে পুরনো ভাবধারাকে নতুন মোড়কে পরিবেশন করার চেষ্টায় বাংলা সনটি হিজরি সনের উপরেই ভিত্তি করে যেন বঙ্গাব্দের জন্ম হয়েছে!! মুহম্মদ তালিব ভূমিকায় (পৃ. ৭) জোর গলায় বলেছেন—‘এটি সর্বসম্মত মত যে, বাংলা সনের জন্ম হয় সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে, বিশেষ করে তাঁরই নির্দেশে (৯৯২ হি ১৫৮৪ খ্রি) বাংলা সনের উদ্ভাবন হয়।
আসুন,মার্ক্সের বিবাহ বাসর থেকে কাহিনিটা শুরু করি। দিনটা ১৮৪৩ সালের ১৯ জুন। সকাল ১০টা নাগাদ একটি দাপুটে প্রেম তীরবর্তী। সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন কার্ল হাইনরিশ মার্ক্স এবং ফ্রাউলিন জোহানা বার্থা জুলিয়া জেনি ভন ভেস্টফালেন। মার্ক্স, বেকার, বয়স ২৫। সবুজ সিল্কের গাউন, ওড়না, গোলাপি টুপিতে জেনি-- বয়স ২৯। যে শহরে তাঁদের স্থায়ী ঠিকানা, সেই ট্রিয়ের থেকে ৫০ মাইল দূরের ক্রোয়েটসনাখের রিসর্টে বিয়েটা হচ্ছে।
মল্লচর্চার ঐতিহ্যশালী পরিবারে জন্মেছিলেন যতীন্দ্রচরণ গুহ। কিন্তু এ নাম স্থায়ী হল না। গোবর গোহ নামেই বিশ্বজয় করলেন কুস্তির মারপ্যাঁচে। সম্প্রতি পেরিয়ে গেল তাঁর ১২৮তম জন্মবার্ষিকী।
লিখছেন অভীক চট্টোপাধ্যায়।