(Jon Lennon Wall 2)
১৯৬৭-র অক্টোবরে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে নোভোতনির সঙ্গে দলের স্লোভাক নেতাদের চরম অশান্তি হল। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছল যে, ১৯৬৮-র জানুয়ারিতে তিনি সরে যেতে বাধ্য হলেন। দলের মহাসচিব হলেন স্লোভাক নেতা আলেকজ়ান্ডার দুবচেক। প্রাহায় বসন্ত এল। দিকে দিকে শত ফুল ফুটে উঠতে লাগল। নানা ছোট ছোট রাজনৈতিক দল তৈরি হল। প্রাক্তন রাজনৈতিক বন্দিরা তৈরি করলেন একটা মঞ্চ— কে২৩১, দণ্ডবিধির যে ধারায় তাঁদের বন্দি করা হয়েছিল সেই ধারার নামেই নাম।
কমিউনিস্ট আদর্শে অবিশ্বাসী সাহিত্যিকরা তৈরি করলেন ‘কেএএন’ মঞ্চ। দেশে বয়েজ় স্কাউট ফিরে এল। সাংবাদিকরা ভয় কাটিয়ে প্রকৃত খবর প্রকাশ করতে লাগলেন। ১৯৬৭ সালে, প্রকাশিত হল ইয়ারোস্লাভের কাব্যগ্রন্থ— ‘ঘণ্টা তৈয়ারি’। তার ‘মুখবন্ধ’ নামের কবিতায় সাইফার্ট লিখলেন—
আরও পড়ুন: লেননোভা জ়েদ— হাহাকার থেকে প্রতিরোধ: এক দেওয়ালের কিসসা পর্ব ১
‘‘অতীতে একবার কবি গলা তুলেছিল
এবং প্রবল কা-কা শব্দে রক্ত উঠে এল
পুরুষেরা ছুটল অস্ত্র তুলে নিতে
মহিলারা নির্দ্বিধায় তাদের
মধুরঙা আর গাঢ় লাল চুল কেটে দিল
ধনুকের ছিলা হবে বলে।
আমাদের নাইলনের ছিলার থেকে তা ঢের বেশি বাড়ে টান পড়লে।
আজকাল মেয়েরা বড্ড ছোট করে চুল ছাঁটে
তাই তো এখন তারা গজ গুঁজে দেয়
মানুষের ক্ষতে
আর তড়িঘড়ি ছোটে
রক্তের দাগে ভরা মাথাগুলো
নিজেদের বুকের স্ট্রেচারে শুইয়ে দিতে।
সোভিয়েত রাশিয়া ও তার সঙ্গে ওয়ারস চুক্তিতে আবদ্ধ দেশগুলো— হাঙ্গেরি, বুলগারিয়া, আলবানিয়া, পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া— একত্রে দুবচেককে ১৫ জুলাই একটা চিঠি পাঠিয়ে জানিয়ে দিল, চেকস্লোভাকিয়া প্রতিবিপ্লবের দোরগোড়ায়, কাজেই তাদের কর্তব্য সে দেশ রক্ষা করা। ১৯৬৮-র ২০ অগাস্ট সোভিয়েত সেনার ঝাঁকে ঝাঁকে সাঁজোয়া গাড়ি ঢুকে পড়ল প্রাহা শহরে।
অত্যাচারীর যদি পতন না হয় —
তাও তো পুরুষাণুক্রমিক —
কবি দণ্ডিত হয় নীরবতায়
আর কারাগারের গরাদের ধারালো হাত
লৌহ দাঁড়ায় বন্ধ করে দেয় তার মুখ।
কিন্তু গরাদের ফাঁক দিয়েই সে চিৎকার করে ছুড়ে দেয় তার কবিতাগুলো
ওদিকে যখন বই-জ্বালানেরা
নিজেদের কাজে লেগে পড়ে।
কিন্তু আমি তা নই!
মাঝে মাঝে সে তার কথাগুলো ঠোকাঠুকি ক’রে
কিছু নিশ্চয়তা প্রস্তুত করে—
কিন্তু আমাদের দুনিয়ায় কিছুই নিশ্চিত নয়।
এবং মহাদম্ভে সে তার জ্বলন্ত শব্দরাশি ছুড়ে দেয়
দূরে, এমনকী মৃত্যুর ওপারেও
ঝুলিয়ে রাখতে মূক রহস্য কিছু,
হাল্কা করতে জগদ্দল অন্ধকার
এই গণকবরের ওপর
এবং বড়জোর আঁকড়ে থাকে শুধু করুণ হাড়গোড়,
সবজেটে নীল তাম্রমলের আস্তরণ পড়ে গিয়েছে যাতে সেই লাইটারটা থেকে
যেটা ওরা দেখতে পায়নি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া লোকটার প্যান্টের পকেটে।
তবে আমি তা নই!1’’

প্রতিবাদী সাহিত্যিক লুডভিক ভাকুলিক ১৯৬৮ সালের ২৭ জুন প্রকাশ করলেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বহু মানুষের সই করা এক সনদ— নাম, ‘দুই হাজার শব্দ’। তাতে দাবি করা হল প্রকৃত গণতন্ত্র, কেবল কিছু আইন শিথিল করাই যথেষ্ট নয়। এই সব দেখে-শুনে-পড়ে সোভিয়েত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কট্টর ডিকটেটর লিওনিদ ব্রেজ়নেভ ও তাঁর কমরেডদের মাথায় বাজ। সর্বনাশ। সোভিয়েত রাশিয়া ও তার সঙ্গে ওয়ারস চুক্তিতে আবদ্ধ দেশগুলো— হাঙ্গেরি, বুলগারিয়া, আলবানিয়া, পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া— একত্রে দুবচেককে ১৫ জুলাই একটা চিঠি পাঠিয়ে জানিয়ে দিল, চেকস্লোভাকিয়া প্রতিবিপ্লবের দোরগোড়ায়, কাজেই তাদের কর্তব্য সে দেশ রক্ষা করা। ১৯৬৮-র ২০ অগাস্ট সোভিয়েত সেনার ঝাঁকে ঝাঁকে সাঁজোয়া গাড়ি ঢুকে পড়ল প্রাহা শহরে।
হাজারে হাজারে নিরস্ত্র মানুষ পথে নামলেন অহিংস প্রতিরোধে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে লেখা দিকনির্দেশ পাল্টে ভুলভাল করে দেওয়া হল, যাতে প্রতিরোধের খবর পেয়েও সোভিয়েত সেনা দ্রুত এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় পৌঁছতে না পারে। কিন্তু কমিউনিস্ট স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবির্ভাব আটকানো গেল না। ২৬ অগাস্ট চেকস্লোভাক প্রেসিডেন্ট লুডভিক স্বোবোদা, দলের মহাসচিব দুবচেক ও অন্যান্য নেতারা মস্কো প্রোটোকল সনদে সই করে কথা দিয়ে এলেন সমাজতন্ত্র বিপন্ন হলেই তাকে রক্ষার অধিকার সোভিয়েত রাশিয়ার থাকবে, সংবাদমাধ্যমকে সংযত করা হবে, পূর্ব ব্লকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের কোনও সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে না। এ সবই হবে ‘মানবিক মুখের সমাজতন্ত্র’ কায়েম রাখতে।

তথাপি প্রতিরোধ চলতে থাকল। ১৯৬৯ সালের ১৬ জানুয়ারি ইয়ান পালাচ নামের এক ছাত্র ভরা রাস্তায় দিনের বেলায় নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করলেন কমিউনিস্ট শাসন প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিরোধ চলতে লাগল চোরা গোপ্তা, তবে অহিংস।
আর কেউ জানে না কখন এই প্রতিরোধের মঞ্চ হয়ে উঠল ১১৫ ফুট X সাড়ে ১৬ ফিটের একটা দেওয়াল! ঠিকানা— ভেলকোপ্রেভোর্স্কে নামেস্তি, ১১৮০০ মালাস্ত্রানা। এই দেওয়াল আসলে ‘সভারেন মিলিটারি অর্ডার অব মাল্টা’ নামের এক বিচিত্র ‘সার্বভৌম’ সংগঠনের প্রাহার দফতরের চৌহুদ্দির প্রাচীরের এক পাশের বাইরের দিক। আদতে এঁরা ক্যাথলিক। এঁদের ঘোষিত আদর্শ— ‘বিশ্বাসের রক্ষা ও দরিদ্রের সেবা’। ২০২৩-এর হিসেবে সদস্য সংখ্যা ১৩১৯১। যদিও এঁদের কোনও নিজস্ব জমি নেই, তবু আন্তর্জাতিক আইন মতে, এ সংগঠন সার্বভৌম। রাজধানী রোম। আর দেওয়াল তখনও ছিল, আজও আছে ঠিক ফরাসি দূতাবাসের উল্টো দিকে।

সে এক আশ্চর্য প্রতিরোধ। কোনও এক দিন বা রাতে কেউ একজন এই সফেদ দেওয়ালে এসে লিখে দিয়ে গেলেন রাষ্ট্রীয় দমন বিরোধী দু-এক কথা। কে তিনি, কী লিখেছিলেন, তার কোনও নথিবদ্ধ প্রমাণ নেই। কিন্তু ছড়িয়ে পড়েছিল সেই বার্তা। মানুষ আসতে লাগলেন। মানুষ লিখতে লাগলেন, চক-খড়ি দিয়ে, হৃদয়ের বার্তা, অধিকাংশই কবিতা— রোমান্টিক কবিতা, দার্শনিক কবিতা। কখনও বা একেবারে উদ্ভট কিছু2। দিনে দিনে এ দেওয়াল পরিচিত হয়ে গেল ‘হাহাকার দেওয়াল’ নামে।
এ সত্যিই এক পরমাশ্চর্য প্রতিরোধ। কবিতা কি কখনও ঝাঁকে ঝাঁকে সাঁজোয়া গাড়িকে আটকে দিতে পারে? কিন্তু যতবার এখানে এই সব কবিতা ও বার্তা লিখে দেওয়া হত, পুরসভা এসে তার ওপর চুনকাম করে দেওয়াল সাদা করে চলে যেত। অমনি ফের কবিতার স্তবক। ফের মুছে দেওয়া। ফের ফুটে ওঠা।
কিন্তু সভ্যতার ইতিহাসে এ একেবারেই নতুন নয়। কেউ ভেঙে বলতে পারবে না খুব পরিষ্কার করে, দুনিয়ার তাবড় সমাজবিজ্ঞানী বা মনস্তাত্ত্বিকও নয়, কিন্তু কবিতার মধ্যে সংক্রামক কিছু একটা আছে, যাকে দলমত নির্বিশেষে ক্ষমতার অলিন্দ ভয় পায়— অবশ্য তাকে প্রকৃতই হৃদয় থেকে উৎসারিত, সৎ মননে খোদিত কবিতা হতে হবে। আজ থেকে ৪৩০০ বছর আগে উর দেশের (বর্তমান ইরাক অঞ্চলের) কবি এনহেদুয়ানাকেও নির্বাসিত হয়ে বসবাস করতে হয়েছিল ‘এই মিথ্যার দেশে’, ‘কাঁটায় ভরা বিভূঁইয়ে’3। আবার, ৮ সাধারণাব্দে সম্রাট অগোস্তুস রোম থেকে নির্বাসিত করেন কবি ওভিদকে। সেই পরম্পরা আজ অবদি দুনিয়ার কোথাও বদলায়নি।
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৮০। লেননের মর্মান্তিক মৃত্যুর এখনও এক সপ্তাহ পূর্ণ হয়নি। ভোর-রাত তিনটে। নীরব নিঝুম প্রাহার পথে তিন মূর্তি নিঃশব্দে হেঁটে চলেছে। তাদের মধ্যে দু’জন স্থাপত্যবিদ্যার ছাত্র, লুদেক স্তানেক এবং ইভান রেটের, সঙ্গে তাদের তৃতীয় বন্ধু জ়দেনেক লোরেঞ্জ়। সে-ই এই রাত্রিকালীন অভিযানের মূল উদ্যোক্তা। তিনজনের বন্ধুত্ব দীর্ঘ দিনের। তাদের একটা সাঙ্গীতিক দল আছে— ওজ়ডব্লিউ।
চেক মানুষের মনে কবিতার কদর গভীর। ‘‘…মার্কিনিরা মাথাপিছু যত বই কেনেন, চেকরা সম্ভবত তার পঞ্চাশ গুণ কেনেন।… চেক প্রজাতন্ত্রে কবিতাকে খুব স্বাভাবিক, নিত্যনৈমিত্তিক ক্রিয়া হিসেবে ধরা হয়। বিখ্যাত কবিদের নাম ঘরে ঘরে মুখে মুখে ফেরে।… শাসকরা বরাবর কবিদের সমর্থন চেয়েছেন কবিদের প্রতিকূলাচরণকে ভয় পেয়েছেন4,’’ জানাচ্ছেন কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জর্জ গিবিয়ান। কবিতার ভয় থেকেই সেই দেওয়ালকে ভয়।
ঠিক ওই দেওয়ালটাই কেন এমন এক মঞ্চ হয়ে উঠল, তা নিয়েও অনেকে ভেবেছেন। মনে রাখতে হবে, দেওয়ালের মালিক ‘সার্বভৌম’ মিলিটারি অর্ডার অফ মাল্টা। কাজেই তা ভেঙে দিতে গেলে খাজনার থেকে বাজনা বেশি হওয়ার আশঙ্কা ছিল— আন্তর্জাতিক আইন সঙ্কট। এই সামান্য ব্যাপার নিয়ে দুনিয়াজোড়া জলঘোলা ও সমাজতন্ত্রের বদনাম করে দেওয়ার সুযোগ তৈরিতে মস্কোর প্রভুরা মোটেই খুশি হতেন না। মোট কথা, ব্যক্তি স্বাধীনতার দীর্ঘ প্রতিক্ষায় প্রাহাবাসীর হাহাকার কমিউনিস্ট শাসনের বুকে জগদ্দল পাথরের মতো হয়ে সেই দেওয়াল থেকেই গেল।

তারপর এল ৮ ডিসেম্বর ১৯৮০। জন লেনন খুন হয়ে গেলেন তাঁরই এক অন্ধ ভক্তের গুলিতে। ৪০ বছর বয়সে। আধুনিক পশ্চিমী সঙ্গীতের একটা তারা নিভে গেল। তার কিছু দিনের মধ্যেই সেই ‘হাহাকার দেয়াল’ মঞ্চে এমন একটা কাণ্ড ঘটল, যা আর রোমান্টিক ও দার্শনিক দীর্ঘশ্বাস রইল না। সরাসরি কমিউনিস্ট সরকারের সাংস্কৃতিক নীতির গালে বিরাশি সিক্কার চড় হয়ে আছড়ে পড়ল। কে বা কারা, কবে যেন দেওয়ালের গায়ে জন লেননের একটা প্রতিকৃতি এঁকে দিয়ে গেল। কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়ে সেই প্রতিকৃতির সামনে জমতে থাকল নিভে-যাওয়া মোমবাতি আর শুকনো ফুল।
এই প্রতিকৃতি কে বা কারা এঁকেছিল একটি মাত্র চেক পোর্টালে আমি তার বর্ণনা পেয়েছি, কিন্তু তা সূত্রহীন। সে বর্ণনা এ রকম— আজ ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৮০। লেননের মর্মান্তিক মৃত্যুর এখনও এক সপ্তাহ পূর্ণ হয়নি। ভোর-রাত তিনটে। নীরব নিঝুম প্রাহার পথে তিন মূর্তি নিঃশব্দে হেঁটে চলেছে। তাদের মধ্যে দু’জন স্থাপত্যবিদ্যার ছাত্র, লুদেক স্তানেক এবং ইভান রেটের, সঙ্গে তাদের তৃতীয় বন্ধু জ়দেনেক লোরেঞ্জ়। সে-ই এই রাত্রিকালীন অভিযানের মূল উদ্যোক্তা। তিনজনের বন্ধুত্ব দীর্ঘ দিনের। তাদের একটা সাঙ্গীতিক দল আছে— ওজ়ডব্লিউ। তারা বিচিত্র সব মুখোশ পরে গানবাজনা করে। আজ তাদের লক্ষ্য ‘গ্রেট প্রিস্ট মনাস্টারি’-র একটা দেওয়াল (এটা তথ্যগত ভাবে ভুল, গ্রেট প্রিস্ট মঠ বা স্ত্রাহোভ মঠ লেনন দেওয়াল থেকে আধ ঘণ্টার হাঁটা পথ)। এ দেওয়াল প্রাহার বাসিন্দা ও রোমহর্ষক ঘটনার সন্ধানে আসা পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
জায়গাটায় পৌঁছে তারা চারপাশটা একবার খুঁটিয়ে দেখে নেয়। তারা জানে ঈশ্বর তাদের ক্ষমা করে দিলেও কী ঘটতে পারে— কঠোর জেরা, পিঠে চড়-থাপ্পড় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার। কিন্তু আর পিছনে তাকানো নয়। পিঠের ব্যাগ থেকে একজন একটা স্টেনসিল বার করে। বাকি দু’জন দ্রুত তার উপর স্প্রে ক্যান থেকে স্প্রে করে দেয়। স্টেনসিল সরানোর পরে রাস্তার টিমটিমে আলোটায় তারা দেখে নেয় তাদের কাছে বিটলসের ‘হোয়াইট অ্যালবাম’-এর মধ্যে লেননের যে ছবিটা রয়েছে, এ প্রতিকৃতি ঠিক তেমন হয়েছে। ফের একবার তারা চারপাশ খুঁটিয়ে দেখে নেয়। তারপর অন্ধকারে মিলিয়ে যায়5। শুরু হল জন লেনন দেওয়াল।
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
- Seifert, Jaroslav. The Poetry of Jaroslav Seifert (pp. 73-74). Catbird Press. Kindle Edition. ↩︎
- সূত্র — < https://www.johnlennonwall.com/70s.html> ↩︎
- Enheduanna: The complete poems of the world’s first author. Sophus Helle. Yale University Press, 2023. P153 ↩︎
- Seifert, Jaroslav. The Poetry of Jaroslav Seifert (p. 11). Catbird Press. Kindle Edition. ↩︎
- সূত্র—< http://johnlennon.cz/lennon%20wall.html> ↩︎