[ছবিগুলো ফুল স্ক্রিনে (Full screen mode) দেখুন]
এই বাংলায় এমন জায়গা আছে, যেখানে মাটির সুরে মাদল বাজে। জঙ্গল দুলে ওঠে মানুষের পায়ের তালে তালে… ‘কোজাগর’ সেই সুর আর তালেরই আর এক ঠিকানা।
ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) সীমান্ত থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে, ঝাড়গ্রাম জেলার প্রান্তে, গভীর জঙ্গল আর পাহাড় দিয়ে ঘেরা আমলাশোল (Amlashol) গ্রাম। কলকাতা থেকে ২৫০ কিলোমিটার আর ঝাড়গ্রাম থেকে ৬৪ কিলোমিটার দূরের এই আশ্চর্য সুন্দর গ্রামে গড়ে উঠছে কোজাগর হোমস্টে। শহুরে কোলাহল থেকে বহু দূরের এই গ্রাম দু-চারদিনের অলসযাপনের এক আদর্শ ঠিকানা। যদিও জঙ্গলমহল শীতকালে বেড়ানোর জন্য এককথায় ‘আন-পুটডাউনেবল’, কিন্তু বর্ষা বা বর্ষার শেষে প্রকৃতি বোধহয় তাঁর সবটুকু সবুজ ঢেলে দেন এখানে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি, বিশ্বকর্মা পুজোর সময় মহুয়ার গন্ধ আর মাদলের তালে, আদিবাসী নাচে মাতাল হয় কোজাগরের আঙিনা। একটা গোটা গ্রাম যখন ময়ূরের পালকের মুকুট আর লাল-সাদা থান কাপড়ের সাজে সেজে ওঠে তখন সেই অপূর্ব সৌন্দর্য কথায় বলে বোঝানোর নয়। এই নাচের সিরিজটি খুব স্বল্প পরিসরে সেই গ্রামীণ আনন্দ আর জঙ্গলমহলের তালটিকে ধরারই অক্ষম প্রয়াসমাত্র।














13 Responses
Asadharon Bhai ❤️❤️❤️❤️❤️❤️🙏🙏🙏🙏
অসাধারণ!
Really wonderful to watch. ❤️
Wonderful images!
খুব ভালো লাগলো, লেখা এবং ছবি! ভবিষ্যতে আরো কিছু দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
বাহ্, ভারী সুন্দর সব ছবি। আমলাশোল বদলে গেছে!
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ঝাড়গ্রাম বর্ষাকালে সত্যিই অপরূপা। কিন্তু আমরা অনেকেই সাপ খোপ জল কাদা এসবের ভয়ে জঙ্গুলে জায়গা বর্ষা কালে এড়িয়ে যাই। অথচ বাংলা মায়ের রূপ যে কি অসম্ভব সবুজ তা ওই বর্ষা কাল ছাড়া বোঝা সম্ভব নয়। তার সাথে সাথে এই ছোঁয়াচে সবুজ মানুষগুলোকেও গ্রাস করে। বিশ্বকর্মা পুজোয় এরকম নাচের মনকাড়া অনুষ্ঠানে যেতে পেরেও ভীষণ আনন্দ পেয়েছি। কোজাগর তখন তৈরী হচ্ছিলো। সেই সূত্রে গ্রামের মিস্ত্রির কাজ করেন যে মানুষেরা তারই আঙিনায় জড় হয়েছিলেন। তারপর সেখানেই নিজেরা নাচে মেতে ওঠেন। কি অপূর্ব আর কি বলবো। ❤️🙂
চমৎকার সব ছবি, সঙ্গে খুব সুন্দর লেখা। অভিনন্দন জানাই আলোকচিত্রশিল্পী ও লেখক অধ্যাপক পৃথ্বীরাজ পাল মহাশয়কে।
ধন্যবাদ স্যার। ❤️❤️
অসাধারণ ছবির series। খুব ভালো লাগলো। অবশ্যই আমলাশোল গ্রামের কোজাগর খুব সুন্দর জায়গা। আরো ভালো ভালো ছবির আশায় রইলাম। ❤
বাহ্, দারুণ লাগলো
অশেষ ধন্যবাদ। 🙏🏿🙂
Darun laglo