নদী গোনে ঝিকিমিকি তারা,
খেলা করে দুধশালি পুঁটি।
ছেলেবেলা পুরে যারা থাকে,
তারা বলে সারাবেলা ছুটি।
দুপারে কাশের বন ছুঁয়ে,
কাকতাড়ু নেড়ে বলে মাথা।
ধোরো না কলম কবি আজ,
খুঁজে আনো কবিতার খাতা।
আমি কি থাকতে পারি চুপ?
হৃদয়টি ওঠে ফের দুলে!
আমিও গানের পাখি হই,
তোমাদের মনগুলি ছুঁলে।
একা একা নদী কথা বলে,
নীরবতা হাসে একা ভোরে।
এই সব খেলাগুলি আমি,
রেখেছি আমার মনে ধরে।
তোমরা তো ভালো খুব জানি,
তোমরা তো কত খুশি আঁকো।
এপারের সুখগুলি মেখে,
পার হও ঝুমঝুমি সাঁকো।
এপারের প্রজাপতি গান,
ওপারের চাঁদ হয়ে নাচে।
হিরে ফুল হাততালি দেয়,
ফোটে দেশ রূপকথা গাছে।
অপরূপ এই সব খুশি,
অভিলাষী ডানা দুটি মেলে…
কবিতার মত ওড়ে বুকে,
বাঁশি নাও ও রাখাল ছেলে!