কবিকে সমস্ত জানব মায়ালব্ধ নশ্বর জীবনে। গলাজলে ডুব দিলে যতক্ষণ জানা যায়। যতক্ষণ না মাছেরা এসে পুরোটা ঠুকরে খায় পায়ের আঙুলগুলি। পরিপাটি সাজানো আঙুল আহা, ক্রমাগত নষ্ট হতে হতে, সঙ্গোপনে কী যেন জন্ম নেয় কোটিদেশ থেকে। স্রোতে ভেসে যাওয়া মুহূর্তে বুঝে যাই। ডুবে থাকা, অনায়াস। অথচ জন্মাবধি সাঁতার শিখিনি৷
কবিকে জানব বলে সমগ্র জীবন, অতঃপর এই জলে ঘর, জলেই সঙ্গম। চেনাশোনা শেষ হলে অপরূপকথা কাব্য, তীরে এক নির্জন পাথরে বসে দেখি, কোমরের নিচ থেকে মাছের পুচ্ছখানি রোদেলা সকালে চিকচিক করছে স্রোতে নুয়ে।
এক জন্মে জন্মান্তর যদি শিখি, এবং সাঁতার, তবে নদী নয়, সমুদ্র, তরঙ্গ নয়, কেবল পাথরেই কান রেখে মৎসকন্যার শায়িত শরীরে শুনো আজীবন ধরে লেখা কবির আকুতি।