সাড়া
ঝাঁকড়া গাছের অনেক নিচের একটা ডালে পাতাটার বাড়ি
সে মুখ দেখে ঝিমধরা পাতকুয়োর জলে
তিনদিনের ভারী দুর্যোগে তার গায়ে আঁচটাও লাগেনি
বৃষ্টি থামল
হাওয়া উঠল
পরদিনই তাকে ভাসতে দেখা গেল ঠান্ডা শান্ত জলে
অতদিন পর কুয়োর চোখভর্তি নীল ডাকে
পাতা সাড়া না দিয়ে পারেনি।
সঞ্চার
সন্ধের ঠিক আগে
গাছেদের ভাবতে দেখেছি
ঘাসেদের সে সময় বাতাস ডাকা বারণ
গাছেরা ভাবতে ভাবতে
পাতার একদিক অন্ধকার করে ফেলে
তারপর তাদের ভাবনার সুগন্ধে
গর্ভিনী হয়ে ওঠে
জুঁই গন্ধরাজ কামিনী
ওরা প্রত্যেকে সাদা…
যেকোনো কবির ভালোলাগা কুমারী কাগজের চেয়ে
ঢের ঢের সাদা।
*ছবি সৌজন্য: Pixabay