(Poetry)
আত্মজীবনী
পরাহত উদ্যানের ব্যথা নিয়ে
তোমার মনের কাছে এসে,
বালুচরে দেখা গেল
সমুদ্রমধ্যম, দীর্ণ, ভাঙা হাওয়াগাড়ি,
যে গাড়িকে প্রশ্ন করা যায়
যেহেতু সে সূর্যাস্তে দেখেছে
একটি বামন, সপ্রতিভ
উড়ে যায়
বিষুবরেখায় (Poetry)


রহস্য
মানুষের পৃথিবীতে ছায়া নেই, কেননা রৌদ্রের দিকে
অনন্ত প্রশাখাময় স্বার্থ আছে, শরীরের,
সার্কাসের টুনি বাল্ব অথবা চাঁদের …
ওড়ার সমস্ত ইচ্ছে পিঠের দুদিকে ছিল,
ছিল দূর যৌবনের ছায়াপথ, শৈশবের মায়া …
তবু দূরে যে যে শিশু মৃত্যুমুখে বসে থাকে
যাদের খাবার, রৌদ্র, বালুচর দিতে পারে
যেসব সভ্যতা, তারা যে সবাই
অনন্তের অংশ হবে
এই কথা পাখি জানে
কেননা সে লুকিয়েছে
ওড়ার সমস্ত মৃত্যুকল্প নিজের ডানায়
মহাবিশ্বের হাওয়া তোমারও শরীর বেয়ে
চলে যায়, সেই হাওয়া, সেই গান
তৈরি করে সুর
তোমার পতঙ্গস্ফূর্ত প্রাণ (Poetry)
দিক
সংকেতের থেকে দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি গাছ
তারও থেকে দূরে একটি সহায়িকা বই
হেসে হেসে বলেছে যে ,
বিস্ময়ের কিছু নেই …
আশ্চর্য হাওয়ার দিন আজ !
দীর্ঘ কুন্তলা মেয়েটি এলোখোঁপা বেঁধে নিচ্ছে,
উড়ে যাচ্ছে তার
মধুবনি আঁচলের পাড়
অতীতের দিকে …
সংকেতে কি মুক্তি ? নাকি সংকেত বুর্জোয়া ?
সাইবেরিয়ার থেকে উড়ে এসেছে পাখিরা
যাদের নিজস্ব কোনও ডাকনাম নেই (Poetry)

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
অলংকরণ- আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়