নানা রূপে আনারকলি

বেশ কয়েক বছর ধরেই আনারকলি সালোয়ার কামিজ ভারতীয় ফ্যাশন দুনিয়ায় রাজত্ব করছে| তবে দেখা গেছে প্রতি বছরেই কোনও না কোনও নতুন স্টাইল যোগ করা হয়েছে এই ভারতীয় পোশাকে| আনারকলি স্যুট এত কেন জনপ্রিয় জানেন? কারণ আপনি মোটা হন বা রোগা সব ধরনের শরীরেই দারুণ দেখায় এই পোশাক| দুর্গা পুজো উপলক্ষে আনারকলি সালোয়ারকে ১০ রকম ভাবে কী করে পরা যাবে আজকে রইলো তার হদিস|

জ্যাকেট আনারকলি : এর জন্য নতুন আনারকলি সালোয়ার না কিনলেও চলবে| শুধু দরকার কনট্রাস্ট কালারের একটা এথনিক জ্যাকেট| পুরনো আনারকলির ওপর এই জ্যাকেট পরে নিন তা হলেই হবে|

কাট আউট শোল্ডার আনারকলি : একটু নতুনত্ব আনতে আপনি কাট আউট শোল্ডার আনারকলি স্যুট কিনতে পরেন|

কেপ আনারকলি ড্রেস : ভারতীয় এবং ওয়েস্টার্ন দু’ধরনের পোশাকের সঙ্গে কেপ বা কাঁধ থেকে নেমে এসেছে এমন লম্বা কোট দারুণ মানায়| একটা নেটের কেপ কিনে নিয়ে আনারকলির সঙ্গে টিম করুন‚ একদম নতুন লুক পাবেন|

পালাজো/স্কার্ট আনারকলি : আনারকলির সঙ্গে চুড়িদার না পরে পালজো পরতে পারেন| বা লং স্কার্টের সঙ্গেও আনারকলি দারুণ দেখায়|

আনারকলি গাউন : আনারকলি স্যুটকে অনায়াসে গাউন হিসেবেও পরতে পারেন| তবে মনে রাখবেন আনারকলির ঝুল যদি মাটি অবধি হয় তাহলেই এটা গাউন হিসেবে ব্যবহার করার কথা ভাবুন|

প্রি স্টিচড দুপাট্টা আনারকলি : এই পুজোয় একটু অন্য রকম যদি স্টাইল করতে চান তা হলে আগের থেকে পোশাকের সঙ্গে লাগানো ওড়না ট্রাই করতে পারেন| একদম অভিনব স্টাইল স্টেটমেন্ট হবে|

কলার আনরকলি স্যুট : গলাবন্ধ আনারকলি ট্রাই করতে পারেন| আর গলার কাছে যদি জরি বা বিভিন্ন রঙের সুতো দিয়ে কাজ করা থাকে তা হলে আরও ভাল হয়|

বেল্ট আনারকলি : এই স্টাইল এখন খুব ট্রেন্ডিং| এর জন্য এক কাঁধে ওড়না নিয়ে কোমরে ওড়না শুদ্ধ বেল্ট লাগান |

কনট্রাস্ট দুপাট্টা : আনারকলি শ্যুটের সঙ্গে যে ওড়না দিয়েছে তা না নিয়ে অন্য কোনও কনট্রাস্ট কালারের ওড়না নিতে পারেন |

ফ্রন্ট স্লিট আনারকলি : টিন এজার বা অল্প বয়েসী তরুণীদের জন্য এই স্টাইল একদম পারফেক্ট | এই ধরণের আনারকলির সামনের দিকটা কাটা থাকে |

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।