ছোট চুলের হেয়ারস্টাইল

পুজোর পোশাকের সঙ্গে কিন্তু সমান গুরুত্বপূর্ণ হেয়ারস্টাইল ও।| যাঁদের লম্বা চুল বা পিঠ অবধি চুল তাঁরা নানা রকম হেয়ারস্টাইল করতে পারেন| কিন্তু যাঁদের চুল ছোট‚ তাঁরা ভেবেই পান না কী হেয়ারস্টাইল করবেন| অনেকের আবার ধারণা ছোট চুলে হেয়ারস্টাইল করা সম্ভব নয়| একদমই তা নয়| দেখে নেওয়া যাক ছোট চুলের জন্য কয়েকটা হেয়ারস্টাইল যা সহজে নিজেরাই করতে পারবেন|

তবে হেয়ারস্টাইল করার আগে কয়েকটা কথা মাথায় রাখতে হবে:
# স্নান করার পর তোয়ালে দিয়ে চুল ঘষে ঘষে না মুছে‚ মাথায় তোয়ালে জড়িয়ে রাখুন| বাড়িতে পুরনো সুতির জামা কাপড় থাকলে তাই দিয়ে মাথা মুছতে পারেন| |

#  চুলের জট ছাড়ানোর জন্য বড় দাঁড়ার চিরুনি ব্যবহার করুন |

# স্ক্যাল্পে কখনো কন্ডিশনার লাগাবেন না| স্ক্যাল্পে কন্ডিশনার চুল তেলেতেলে ও চিটচিটে হয়ে যাবে|

# বেশি টেনে চুল বাঁধবেন না|

# রোজ রোজ হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল না শোকানোই ভাল|

এবার আসা যাক ছোট চুলের হেয়ারস্টাইলে :

১) শর্ট কার্ল :যাঁদের ঘাড় অবধি চুল এই হেয়ার স্টাইল তাঁদের জন্য আদর্শ| কার্লিং আয়রন দিয়ে চুল কার্ল করে নিন| এতে একটা ওয়েভি ভাব আসবে| যদি পুরোটা কার্ল করতে না চান‚ তা হলে কিছুটা অংশ কার্ল করে ক্লিপ আটকে নিন|

২)  ব্যুঁফো হেয়ারস্টাইল : মাথায় সামনের অংশ থেকে চুল নিয়ে ব্যাক ব্রাশ করে নিন| এতে চুলের সামনের অংশ ফুলে উঠবে| পিছনে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিন| ভ্যালিউম এক্সটেনশন ক্লিপ ও ব্যবহার করতে পারেন|

৩) সাইড ব্রেড : সাইডে সিঁথি করে চুল আঁচড়ান| এ বার যেদিকে সিঁথি করেছেন‚ তার উল্টো দিকে চুল দিয়ে একটা বিনুনি করে সেটা ক্লিপ দিয়ে আটকে দিন| চাইলে অনেকগুলো ছোট-ছোট বিনুনি করে সেগুলো একসঙ্গে ক্লিপ দিয়ে আটকে দিতে পারেন|

৪) মেসি টুইস্টেড বান: পিছনে তিনটে পনিটেল বাঁধুন| এবার সেই তিনটে পনিটেল ঘুরিয়ে একসঙ্গে বেঁধে নিন|

এছাড়াও আজকাল রং-বেরঙের হেডব্যান্ড‚ স্কার্ফ এবং ক্রিস্টেল লাগানো ক্লিপ পাওয়া যায় | পুজোর জামাকাপড়ের সঙ্গে ম্যাচ করে তা ও পরতে পারেন|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।