(Kishori Roy)
হাওড়ার সালকিয়ার প্রাচীনতম বিদ্যালয় ‘সালকিয়া এ. এস. হাইস্কুলে’ বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান চলছে। প্রধান অতিথি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তদানীন্তন উপাচার্য ড.ডব্লিউ.এস. আর্কুহার্ট। অনুষ্ঠান চলাকালীন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আর্কুহার্ট সাহেবের একটি পেনসিল স্কেচ করে ফেলল ওই স্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্র।
ছবি দেখে মুগ্ধ আর্কুহার্ট সাহেব অনুষ্ঠানের মধ্যেই একটি বিশেষ পুরস্কার ঘোষণা করলেন, এবং ছাত্রটির এই অসাধারণ দক্ষতা যাতে পূর্ণরূপে বিকশিত হতে পারে, সেই ব্যবস্থাও করলেন। তাঁরই সক্রিয় সহযোগিতায়, এবং অবশ্যই নিজ দক্ষতার জোরে ছাত্রটি সুযোগ পেল তৎকালীন গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টে (আজকের গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্ট এন্ড ক্র্যাফট-এ) ভর্তি হওয়ার। সেই শুরু, এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।
আরও পড়ুন: মহিষাসুরমর্দিনী: বাংলার আগমনী-আলো
সেদিনের সেই ছাত্রই পরবর্তীকালে দেশের অন্যতম সেরা চিত্রশিল্পী কিশোরী রায়। জন্ম ১৯১১ সালের পয়লা মে, হাওড়ায় বলুহাটির মামাবাড়িতে। ৬-৭ বছর বয়স হতে না হতেই মামাবাড়ির দেওয়ালে কাঠকয়লা দিয়ে ফুটিয়ে তুলতেন নানা দেবদেবীর নিখুঁত অবয়ব। এরপর মা-বাবার সঙ্গে হাওড়ার সালকিয়ায় এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু। পরে তাঁকে ভর্তি করা হয় ‘সালকিয়া এ. এস. হাইস্কুলে’। পড়াশোনার সঙ্গেই তাল মিলিয়ে আপন খেয়ালে চলতে থাকে ছবি আঁকার নিয়মিত চর্চা। হয়তো ওই বয়সেই তিনি বুঝে গিয়েছিলেন তুলি-কলমের জগতেই তাঁর প্রাণের আরাম, আত্মার মুক্তি।

স্কুল অব আর্টে যখন ভর্তি হলেন, অধ্যক্ষ পদে তখন বিখ্যাত শিল্পী মুকুল দে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তরুণ কিশোরী। অধ্যক্ষের সহায়তায় পেয়ে গেলেন এক সরকারি বৃত্তিও। এই বৃত্তির মর্যাদা রক্ষা এবং নিজের দক্ষতা প্রমাণের জন্য উঠে পড়ে লাগলেন। ছ’বছরের ছাত্রজীবনে একাধিক পুরস্কার ও বৃত্তি লাভ করে ১৯৩৭ সালে প্রথম শ্রেণির ডিপ্লোমাসহ শেষ করলেন ললিতকলার (ফাইন আর্টস) প্রথাগত শিক্ষা। ওই বছরেই সর্বভারতীয় এক চিত্র প্রদর্শনী তথা প্রতিযোগিতায় ল্যান্ডস্কেপ পেইন্টিং-এর জন্য অর্জন করলেন রৌপ্য পদক। ছাত্রজীবন শেষে আরম্ভ হল শিল্পীজীবনের সংগ্রাম।
উত্তরপাড়ার গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে চারুকলার শিক্ষকতার মাধ্যমে শুরু কর্মজীবন। পরে কলকাতা হিন্দু স্কুল এবং দিল্লির সারদা উকিল স্কুল অব আর্টেও কিছু বছর শিক্ষক এবং পরীক্ষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। এরই মাঝে সান্নিধ্যে আসেন প্রখ্যাত শিল্পী সুধাংশু চৌধুরীর। লন্ডনের ‘ইন্ডিয়া হাউসে’ ম্যুরাল পেইন্টিং করে সুধাংশুবাবু তখন প্রায় এক আন্তর্জাতিক নাম। কিশোরীর মুন্সিয়ানা দেখে তিনি তাঁকে উত্তর কলকাতার চিত্রা সিনেমা হলের ম্যুরাল পেইন্টিং-এর জন্য নিযুক্ত করলেন। পরে রক্সি, প্রাচী-র মতো সিনেমাহল এবং রামগড় রাজপ্রাসাদের ম্যুরালও করেছেন তিনি।
সেলফ-পোর্টেটের মধ্যে ১৯৪৪ সালের ‘আর্ট অ্যান্ড ফেমিন’ ছবিটির কথাই ধরা যাক না! সেখানে রঙ-তুলির আঁচড়ে শুধুমাত্র শিল্পীর আত্মপ্রতিকৃতিই ধরা পড়েনি; পাশে দাঁড়ানো প্রায় আবছা, জীর্ণ, ভৌতিক নারীমূর্তিটিকে দেখলেই বোঝা যায় নিঃশব্দে এ ছবি হয়ে উঠেছে সেই সময়ের এক জীবন্ত দলিল।
শিল্পী-জীবনের এক বাঁক ঘোরানো মুহূর্তে তাঁর আলাপ হয় শিল্পাচার্য যামিনীপ্রকাশ গঙ্গোপাধ্যায়ের (জে. পি. গাঙ্গুলি) সঙ্গে। আচার্য গাঙ্গুলি তাঁকে নিজের স্টুডিওয় কাজ করতে আহ্বান জানান। তরুণ শিল্পী কিশোরী সেদিন থেকেই তাঁকে নিজের গুরু হিসেবে স্বীকার করে নেন, এবং তিনিই ছিলেন যামিনীপ্রকাশের শেষ উল্লেখযোগ্য ছাত্র। সার্কুলার রোডের বাড়িতে গুরু যামিনীপ্রকাশকে সামনে বসিয়ে একদিন অনবদ্য এক ক্রেয়ন স্কেচ করেন কিশোরী। স্বল্প রেখার নিখুঁত সেই চরিত্র চিত্রণের বলিষ্ঠতা সেদিন অবাক করেছিল গুরুকেও।
জল, তেল, ক্রেয়ন, চারকোল প্রভৃতি মাধ্যমে, প্রতিকৃতি থেকে শুরু করে স্টিল লাইফ বা ল্যান্ডস্কেপ পেইন্টিং সর্বত্রই তিনি কৃতিত্বের ছাপ রেখে গিয়েছেন। এছাড়াও, আলাদা করে বলতে হয় তাঁর আত্মপ্রতিকৃতি আঁকার মুন্সিয়ানার কথা। চারের দশকে আঁকা বেশ কয়েকটি সেলফ-পোর্টেটের মধ্যে ১৯৪৪ সালের ‘আর্ট অ্যান্ড ফেমিন’ ছবিটির কথাই ধরা যাক না! সেখানে রঙ-তুলির আঁচড়ে শুধুমাত্র শিল্পীর আত্মপ্রতিকৃতিই ধরা পড়েনি; পাশে দাঁড়ানো প্রায় আবছা, জীর্ণ, ভৌতিক নারীমূর্তিটিকে দেখলেই বোঝা যায় নিঃশব্দে এ ছবি হয়ে উঠেছে সেই সময়ের এক জীবন্ত দলিল। শিল্পের শৌখিনতার পাশেই এসে পড়েছে ১৯৪৩-৪৪ এর ‘গ্রেট বেঙ্গল ফেমিন’-এর ভয়াবহতাও। আর এভাবেই জন্ম হয়েছে নতুন এক ধারার, পরবর্তী সময়ের আলোচকরা যে ঘরানার নাম দিয়েছেন ‘থিমেটিক সেলফ-পোর্টেট’।

শুধু আত্মপ্রতিকৃতিই নয়, অন্য সব দিকগুলোতেও ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। ১৯৪৫ সালে অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের প্রদর্শনীতে তাঁর বিখ্যাত তেলরঙের ছবি ‘এ পিপ্ ইনটু দা গ্লুমি ফিউচার’-এর জন্য পুরস্কৃত হন। পরে ছবিটি অ্যাকাডেমির প্রেসিডেন্ট লেডি রানু মুখার্জির ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত হয়।
মডেলকে সামনে বসিয়ে, অর্থাৎ লাইভ সিটিং-এ এরকম অসংখ্য শিল্পকীর্তি রয়েছে তাঁর। সেগুলির মধ্যে স্যর এন. এন. সরকার, প্রমথেশ বড়ুয়া, ললিতমোহন সেন, গুরুবন্ধু ভট্টাচার্য, সরযূ দেবী, ঊষা খান, প্রমুখের পোর্ট্রেট উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও পুরস্কারস্বরূপ দ্বারভাঙার মহারাজা প্রদত্ত সোনার মেডেল লাভ করেন। কিশোরী রায় ছিলেন সেই মুহূর্তে কলকাতা শহরের সেরা প্রতিকৃতি আঁকিয়েদের অন্যতম। মডেলকে সামনে বসিয়ে, অর্থাৎ লাইভ সিটিং-এ এরকম অসংখ্য শিল্পকীর্তি রয়েছে তাঁর। সেগুলির মধ্যে স্যর এন. এন. সরকার, প্রমথেশ বড়ুয়া, ললিতমোহন সেন, গুরুবন্ধু ভট্টাচার্য, সরযূ দেবী, ঊষা খান, প্রমুখের পোর্ট্রেট উল্লেখযোগ্য।
১৯৫০ সালে একবার কুমায়ুন ঘুরতে গিয়ে শোনেন, আমেরিকার প্রখ্যাত শিল্পী আর্ল হেনরি ব্রুস্টার আলমোড়ার কালিমঠে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাঁর কাজের ভক্ত বলে, প্রায় চার মাইল পাহাড়ি পথ পায়ে হেঁটে ব্রুস্টারের কাছে পৌঁছান কিশোরী। সারাদিন সেখানেই কাটান, এবং তাঁর কাছ থেকেই ক্যানভাস নিয়ে মাত্র কুড়ি মিনিটে আসাধারণ একটি প্রতিকৃতি এঁকে তাক লাগিয়ে দেন।

ভারতের বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে গিয়ে প্রান্তিক আদিবাসীদের জীবনধারা শহরের জনমানসে তুলে ধরতে এঁকেছেন অসংখ্য স্কেচ। হিল স্টেশনগুলিতে থাকাকালীন তাঁর যেসব কাজ আমরা পাই তাও যথেষ্ট উচ্চমানের। পাশ্চাত্য তেলরঙের অসাধারণ দক্ষতায় বাস্তবধর্মী এইসব ছবিগুলি নিঃসন্দেহে ইউরোপীয় মাস্টার পেইন্টারদের কাজের সঙ্গে তুলনীয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘গুরুপ্রসন্ন স্কলারশিপ’ প্রদান করে ইংল্যান্ডে গিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য। তবে বাবার শারীরিক অসুস্থতার কারণে এই সুযোগ তিনি নিতে পারেননি।
বর্তমানের বহু বিখ্যাত শিল্পীই ছিলেন সেই সময় তাঁর ছাত্রছাত্রী। সেই তালিকায় একটু চোখ রাখলে প্রথমেই যে নামগুলো উঠে আসে, তাঁরা হলেন গণেশ পাইন, যোগেন চৌধুরী, সুনীল দাস, গণেশ হালুই, শ্যামল দত্তরায় প্রমুখ।
কিশোরীর জীবনের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, তাঁর শিক্ষকতার সময়। কিছু স্কুলে সাময়িকভাবে শিক্ষকতার পর ১৯৫১ সালে গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্ট এন্ড ক্র্যাফটে ফাইন আর্টসের অধ্যাপক পদে যোগ দেন। যে কলেজে নিজে পড়েছেন, সেই কলেজেই ফিরে গিয়ে অধ্যাপনার কাজেও নিজের দক্ষতা সমানভাবে প্রমাণ করেন। কলেজের বিভাগীয় প্রধানও হন।
বর্তমানের বহু বিখ্যাত শিল্পীই ছিলেন সেই সময় তাঁর ছাত্রছাত্রী। সেই তালিকায় একটু চোখ রাখলে প্রথমেই যে নামগুলো উঠে আসে, তাঁরা হলেন গণেশ পাইন, যোগেন চৌধুরী, সুনীল দাস, গণেশ হালুই, শ্যামল দত্তরায়, অশেষ মিত্র, সেলিম মুন্সি, ঈশা মহম্মদ, শুভাপ্রসন্ন, বিমল ব্যানার্জি, শক্তি বর্মণ, অঞ্জু চৌধুরী প্রমুখ। শিল্পী শুভাপ্রসন্নের কথায়, কিশোরী রায়ের মতো প্রতিভাধর শিল্পী বিরল, যিনি শুধু ভাল শিল্পীই ছিলেন না, ছিলেন শিল্পীদের ‘মাষ্টারমশাই’-ও, এই নামেই ছাত্রমহলে খ্যাতি ছিল তাঁর।

ছাত্র তৈরির পাশাপাশি নিজের শিল্পচর্চার কাজও চলতে থাকে পুরোদমে। সেইসব শিল্পসৃষ্টির নিদর্শন আমরা আজও দেখতে পাই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তাঁর আঁকা শ্রীরামকৃষ্ণ দেব, লালা লাজপত রায় বা স্যর গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে, পুরনো হাওড়া টাউন হলে নেতাজির প্রতিকৃতিতে অথবা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরে তেলরঙে আঁকা হাওড়া ব্রিজের বিশালাকার নিখুঁত চিত্রায়ণে।
অকৃতদার, সন্ন্যাসীসুলভ এই শিল্পী ছিলেন ভীষণভাবে আত্মপ্রচারবিমুখ। গণমাধ্যমের এত রমরমাও তখন ছিল না। ফলে এত বড় মাপের শিল্পসাধক হয়েও আজও অচেনা থেকে গিয়েছেন আমাদের কাছে।
কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই প্রভৃতি শহরে নিয়মিত তাঁর চিত্র প্রদর্শিত হত তখন। তাঁর আঁকা একটি প্রতিকৃতি দেখে মুগ্ধ হয়ে জয়পুরের মহারানি গায়ত্রী দেবী তাঁকে অনুরোধ করেন, তিনি যদি তাঁর ছেলের একটি পোর্ট্রেট আঁকেন! এছাড়াও মার্কিন দূতাবাসের কনসাল জেনারেলের অনুরোধে তাঁর পুত্র-কন্যার প্রতিকৃতিও আঁকেন। দুজনেই তাঁর কাজে যারপরনাই সন্তুষ্ট হন। এভাবেই একের পর এক এঁকে গিয়েছেন অসাধারণ সমস্ত মাস্টারপিস।
খুব বেশিদিন কাজ করার সুযোগ তিনি পাননি। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ প্রায় এক বছর রোগভোগের পর ১৯৬৫ সালের ১৭-ই ডিসেম্বর মাত্র ৫৫ বছর বয়সে কলকাতার শেঠ সুখলাল কারনানি হাসপাতালে প্রয়াত হন। শেষ তিনমাস হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময়েও হাতের কাছে ডট পেন-পেনসিল যা পেয়েছেন, তাই দিয়েই বেডের পাশের দেওয়ালে চালিয়ে গিয়েছেন আঁকার কাজ। অকৃতদার, সন্ন্যাসীসুলভ এই শিল্পী ছিলেন ভীষণভাবে আত্মপ্রচারবিমুখ। গণমাধ্যমের এত রমরমাও তখন ছিল না। ফলে এত বড় মাপের শিল্পসাধক হয়েও আজও অচেনা থেকে গিয়েছেন আমাদের কাছে।

তাঁর অকালপ্রয়াণ ভারতীয় চিত্রকলার ইতিহাসে নিঃসন্দেহে এক অপূরণীয় ক্ষতি। আরও কিছু বছর বেশি বাঁচলে হয়তো তাঁকে আমরা আজ অন্যভাবে চিনতাম। তবু, এই নাতিদীর্ঘ সময়েই সভ্যতার ক্যানভাসে যে অমোঘ আঁচড় তিনি রেখে গিয়েছেন, তা সহজে হারিয়ে যাওয়ার নয়। ২০১১ সালে মহান এই শিল্পী শতবর্ষ পার করলেও, তা পালন করার উদ্যোগ কোনও মহলেই সেভাবে ভেবে দেখা হয়নি।
তাঁর বিপুল সংখ্যক সৃষ্টি, ক্যানভাস, ছবি, স্কেচ সংরক্ষণ করাও ব্যক্তিগতভাবে সাধ্যাতীত। তবুও তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতা বিশিষ্ট ফটোগ্রাফার নীলমণি রায় যতদিন বেঁচে ছিলেন, এককভাবে চেষ্টা করেছেন সেগুলি সংরক্ষণ এবং রেস্টোরেশনের। বর্তমানে রেস্টোরেশনে অপারগ হয়ে পরিবারের তরফ থেকে অধিকাংশ ছবিই দিল্লি আর্ট গ্যালারিতে দান করে দেওয়া হয়েছে। এতকিছুর পরে একটিই কথা ভাববার, বিস্মৃতির অতলে চলে যাওয়া এইসব ইতিহাসকে আমরা কীভাবে সংরক্ষণ করব? বিশ্বায়নের প্রচারসর্বস্ব এই দুঃসময়ে দাঁড়িয়ে একবারও কি আমাদের মনে পড়বে না কিশোরী রায়ের মতো আত্মমগ্ন মহাপ্রাণদের নিরলস সাধনার কথা?
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত