(Chandrabati Ramayana)
– ‘চন্দ্রা, ফুলগুলো তুলে নিয়ে এসো মা, বেলা গড়িয়ে যায়, পুজোয় বসতে হবে যে…’ বংশীদাসের সাড়া পেয়ে বেরিয়ে আসেন সুলোচনা।
– ‘সে কি আর আপনার বলার অপেক্ষায় আছে? কখন গেছে ফুল পাড়তে। এই একটা কাজে মেয়ের আমার তর সয় না। এতক্ষণ কী করে, বুঝি না।’
আরও পড়ুন: প্রান্তজনের লুপ্ত ‘সঙ’গীত— বাঙালির নিউ ইয়ার ইভ
তালপাতার ছাউনির ঘরে যখন এই দম্পতির কথোপকথন চলছে, ওদিকে পুকুর ধারে তখন এক যুবক গাছের ডাল নুইয়ে ধরছে, আর কিশোরীটির সাজি সেজে উঠছে মালতী, মল্লিকা, অপরাজিতার বিচিত্র বর্ণে। সাজির রং ছড়িয়ে যাচ্ছে তাদের মনেও। ফুল তুলতে এসে কিছুটা সময় কাটানো এখন অভ্যাস হয়ে গিয়েছে জয়ানন্দ আর চন্দ্রাবতীর। সেদিনের মতো ফুল তোলার পালা সাঙ্গ হতে, একটা চিঠি দুরুদুরু বুকে কোঁচর থেকে বের করে, জয়ানন্দ ধরিয়ে দেয় চন্দ্রাবতীর হাতে— ‘পড়ে দেখো।’
– ‘কী আছে এতে? ওদিকে বাবাঠাকুর যে পুজো করবেন বলে বসে আছেন। আমি বরং পরে পড়ে দেখব…’ চিঠিটা আঁচলে বেঁধে ফুলের সাজি নিয়ে চলে যায় চন্দ্রাবতী। ওদিকে, উদাস চোখে মালতী গাছটাতে হেলান দিয়ে বসে থাকে জয়ানন্দ।

সেদিন বাড়িতে পৌঁছে চঞ্চল মন কোনওক্রমে সামলে রোজকার কাজগুলো সেরে ফেলল চন্দ্রাবতী। পুজোর জিনিস বংশীদাসকে গুছিয়ে দিয়েই গোয়ালঘরের পিছনে, খানিক আড়ালে চলে গেল। নির্জনতার বিষয়ে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে, আঁচল থেকে চিঠিটা বের করল। একদিকে জয়ানন্দ পিতৃমাতৃহীন, মামার বাড়িতে মানুষ; অন্যদিকে চন্দ্রাবতীর সুখী, সম্পূর্ণ পরিবার। সেই ব্যবধানকে স্বীকার করেই, চন্দ্রাবতীকে নিজের অনুভূতি জানিয়ে, জয়ানন্দ লিখেছে—
‘যেদিন দেখ্যাছি কন্যা তোমার চান্দবদন।
সেইদিন হইয়াছি আমি পাগল যেমন।
তোমার মনের কথা আমি জানতে চাই।
সর্ব্বস্ব বিকাইবাম পায় তোমারে যদি পাই।
তুমি যদি লেখ পত্র আশায় দেও ভর।
যোগল’ পদে হইয়া থাকবাম তোমার কিঙ্কর।’
সে হয়তো আরও আগেই হৃদয় সঁপেছিল জয়ানন্দকে। সমাজের কারণে শুধু মুখ ফুটে বলতে পারেনি। জয়ানন্দ সরাসরি জানতে চেয়েছে তার উত্তর।
চিঠিটা পড়ে জবা ফুলের সমস্ত লাল জড়ো হল চন্দ্রাবতীর গালে। সে হয়তো আরও আগেই হৃদয় সঁপেছিল জয়ানন্দকে। সমাজের কারণে শুধু মুখ ফুটে বলতে পারেনি। জয়ানন্দ সরাসরি জানতে চেয়েছে তার উত্তর। পিতার অধীনা চন্দ্রাবতীর কি এভাবে হৃদয়ের কথা ব্যক্ত করা আদৌ সম্ভব? তবু, লজ্জা সংকোচ দূর করে সে লিখেই ফেলল উত্তর—
“ঘরে মোর বাপ আছে আমি কিবা জানি।
আমি কেমনে দিই উত্তর অবলা কামিনী।।”
ভোলানাথের চরণে প্রণাম জানিয়ে গোপনে চিঠিখানা পাঠিয়ে দেয় সে। সংকোচের কারণেই হোক, অথবা জয়ানন্দের অন্তরে বিরহ জ্বালা দ্বিগুণ করে তুলতে— ফুল তুলতে যাওয়া বন্ধ করে দেয় চন্দ্রাবতী। এদিকে ঘরে বসে নিজেও দগ্ধ হতে থাকে বিরহানলে।
সম্ভবত জয়ানন্দের উদ্যোগেই দিনকয়েকের মধ্যে বংশীদাসের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয় এক ঘটক।

– ভট্টাচার্য মশাই মেয়ের তো বিয়ের বয়স হল। রূপে গুণেও তার তুলনা মেলা ভার। এমন সোনার প্রতিমা আর কতকাল ঘরে ধরে রাখবেন?
– সেকথা যে আমি ভাবিনি, তা নয়। কিন্তু চন্দ্রামা-র উপযুক্ত পাত্র মেলাই যে দুষ্কর। আপনার সন্ধানে আছে কোনও সুপাত্র?
– সুন্ধা গ্রামে আছে একজন। চক্রবর্তী বংশ, কুলীনের ঘর। নাম জয়ানন্দ। যদিও বাপ-মা মরা ছেলে, মামার বাড়িতে মানুষ। তবে ছেলেটি দেখতে যেমন কার্তিক ঠাকুর, বিদ্যায় তেমনই বৃহস্পতি। বহু শাস্ত্রে পারদর্শী, একেবারে চন্দ্রাবতীর মতোই। ওই ঘরে বিয়ে দিলে মেয়ে আপনার সুখেই থাকবে। শীতের টানও কমে এসেছে, আমগাছে বোল ধরা শুরু হয়েছে। এই ফাল্গুনেই চার হাত এক করে দিন না!
বাবা-মায়ের জন্য, এই বাড়ির জন্য, গোয়ালের বাছুরটার জন্য যেন মনটা হুহু করে উঠছিল তার। সেই আনন্দ-বিষাদের মাঝেই হড়পা বানের মতো তাঁকে অকূল পাথারে ভাসিয়ে নিয়ে গেল দুঃসংবাদটা।
আর না করেননি বংশীদাস। মত দিয়ে দিলেন বিয়েতে। পাড়া-প্রতিবেশীর মিলিত উদ্যোগে বিয়ের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল। উঠোন সেজে উঠল আলপনায়। পানখিলির আসরে জোকার আর ঢোলের শব্দ ছাপিয়ে শোনা গেল বাঙালির বিয়ের গানের সুর—
‘মাথা ভালা দামান্দের ডাব নাইরকল জোরারে
কমর ভালা দামান্দের হুন্দি বেতের মুড়ারে।
দামান্দেরো সাত ভাই সাত ঘোড়ার সুয়ারি
একেলা দামানরাজা যাইতা শ্বশুরবাড়ি।।’
আঞ্চলিক রীতি মেনে, অন্যান্য হবু-কনেদের মতোই, একে একে বিভিন্ন দেবদেবীর মন্দিরে পুজো দিয়ে এসেছিল চন্দ্রাবতী। অধিবাসের আচার অনুষ্ঠান, কাকভোরে উঠে পুকুর থেকে চুরপানি তুলে আনা, এয়োদের সঙ্গে মাথায় ডালা নিয়ে গ্রামের সব বাড়ি ঘুরে মেয়ের জন্য সুলোচনার সোহাগ চাওয়া— বাদ পড়েনি কিছুই। এত আনন্দের মাঝেও চন্দ্রাবতী কেমন যেন মুষড়ে পড়ছিল। বাবা-মায়ের জন্য, এই বাড়ির জন্য, গোয়ালের বাছুরটার জন্য যেন মনটা হুহু করে উঠছিল তার। সেই আনন্দ-বিষাদের মাঝেই হড়পা বানের মতো তাঁকে অকূল পাথারে ভাসিয়ে নিয়ে গেল দুঃসংবাদটা। বিয়ের দিন সকালেই জানা গেল, এক মুসলমান কাজীর কন্যাকে বিয়ে করেছে জয়ানন্দ।

বিবাহের প্রস্তুতি পর্বে দীর্ঘদিন জয়ানন্দের সঙ্গে চন্দ্রাবতীর সাক্ষাৎ বন্ধ ছিল। তখনই, এক কাজীর কন্যা আশমানির রূপে আকৃষ্ট হয়ে তাকে প্রেমপত্র লিখে ফেলেছিল জয়ানন্দ। আশমানি সেই আহ্বানে সাড়াও দেয়। কিন্তু, চন্দ্রাবতী ও জয়ানন্দের বিয়ের খবর পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে আশমানি। জয়ানন্দের লেখা চিঠি নিয়ে সে তার বাবার কাছে অভিযোগ জানায়। কাজী জয়ানন্দকে লোক পাঠিয়ে ধরে আনলে, সে বাধ্য হয়ে চিঠির সত্যতা স্বীকার করে। কাজীর চাপেই জয়ানন্দ আশমানিকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। বিয়ের জন্য হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে, তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হয়। জয়ানন্দ নাম বদলে হয় জয়নাল।
বংশীদাস চন্দ্রাবতীর সঙ্গে হওয়া এই অন্যায় সহ্য করতে পারেননি। মেয়ের জন্য তিনি পুনরায় সম্বন্ধ দেখতে শুরু করেন। কিন্তু আপত্তি জানায় চন্দ্রাবতীই। ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় জানিয়ে দেয়, দ্বিতীয়বার সে আর এই প্রহসনের অংশীদার হতে চায় না। ভোলনাথের চরণে নিজেকে সমর্পণ করেই বাকি জীবন কাটিয়ে দেবে সে। বংশীদাস মেয়ের সিদ্ধান্তের উপর আর কথা বলার সাহস পাননি। তাকে আর বিয়ের জন্য জোরও করেননি।
মধ্যযুগের বাংলায় বসে, অবলীলায় এক বঙ্গকন্যা, বিশ্বখ্যাত মহাকাব্যে নির্মাণ করলেন নারীবাদের পরিসর। পুনর্নির্মাণের ধারায় অজান্তেই প্রযুক্ত হল পশ্চিমী সাহিত্যের ‘রিকনস্ট্রাকশন থিওরি’।
ইতিপূর্বে চন্দ্রাবতী তাঁর বাবার সঙ্গে যৌথভাবে ‘মনসা ভাসান’ লিখেছিলেন। বংশীদাস বুঝলেন, সৃষ্টির জগতই চন্দ্রাবতীর বিচ্ছেদের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারে। অবিবাহিত থাকার সিদ্ধান্ত নিতেই, মেয়েকে পরামর্শ দিলেন রামায়ণ অনুবাদের।
চন্দ্রাবতীর কলমে সেদিন শুরু হল এক নতুন রামায়ণ রচনা। রাম নয়, সেই রামায়ণের কেন্দ্রে রইলেন স্বয়ং সীতা। মধ্যযুগের বাংলায় বসে, অবলীলায় এক বঙ্গকন্যা, বিশ্বখ্যাত মহাকাব্যে নির্মাণ করলেন নারীবাদের পরিসর। পুনর্নির্মাণের ধারায় অজান্তেই প্রযুক্ত হল পশ্চিমী সাহিত্যের ‘রিকনস্ট্রাকশন থিওরি’। প্রান্তিক নারীসমাজের প্রতিনিধি সীতার কণ্ঠস্বর হয়ে উঠল কাব্যের আশ্রয়।
সীতার বয়ানে সেই রামায়ণে একে একে ফুটে উঠল রাবণের ঔরস ব্যতীত মন্দোদরীর গর্ভে সীতার জন্ম, পালিকা সতা জেলেনির নামে সীতার নামকরণ, সীতার দুঃখের বারোমাস্যায় রাবণের সীতাহরণ ও রাম-রাবণের যুদ্ধ। একবার লিখতে শুরু করলে চন্দ্রাবতীর যেন বাহ্যজ্ঞান লোপ পায়। সে যেন হারিয়ে যায় কখনও অযোধ্যায়, কখনও লঙ্কায়। কিছুতেই নিজের আর সীতার মধ্যে ফারাক করতে পারে না। সেও তো সীতার মতোই প্রণয়ী কর্তৃক প্রতারিতা, অথবা সীতা তারই মতো!

বেশিক্ষণ এসব কথা ভাবতে পারে না চন্দ্রাবতী। হৃদয়ের গোপন কষ্টটা চাড়া দিয়ে ওঠে। সে আবার ডুব দেয় মহাকাব্যের জগতে।
‘আমার দুঃখের কথা গো কহিতে কাহিনী।
কহিতে কহিতে উঠে গো জ্বলন্ত আগুনী।।
জনম- দুঃখিনী সীতা গো দুঃখে গেল কাল।
রামের মতন পতি পাইয়া গো দুঃখেরি কপাল।।’
নিজের সবটুকু আবেগ মিশিয়ে, চন্দ্রাবতী লিখে চলে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তনের পর কুকুয়ার চক্রান্তে সীতার স্বামী-পরিত্যক্তা হওয়া, পাঁচ মাসের গর্ভবতী সীতাকে রামের বনবাসে প্রেরণ, সীতার যমজ পুত্রের জন্মদান, আবার রাজ্যকে অমঙ্গলের হাত থেকে রক্ষা করতে সেই পরিত্যক্তা সীতাকে বন থেকে বাধ্য হয়ে ফিরিয়ে আনা…। লিখতে লিখতে একসময় আর পালক সরে না চন্দ্রাবতীর, দোয়াতের কালি শুকিয়ে আসে। সব দুঃখ, বিধাতা মেয়েমানুষের জন্যই রাখে! মনের সমস্ত খেদ পালকের গোড়ায় এসে জড়ো হয়, উচ্চারিত হয় সীতার অভিসম্পাত—
লিখতে লিখতে একসময় আর পালক সরে না চন্দ্রাবতীর, দোয়াতের কালি শুকিয়ে আসে। সব দুঃখ, বিধাতা মেয়েমানুষের জন্যই রাখে! মনের সমস্ত খেদ পালকের গোড়ায় এসে জড়ো হয়, উচ্চারিত হয় সীতার অভিসম্পাত—
‘পুড়িবে অযোধ্যাপুরী গো কিছুদিন পরে।
লক্ষ্মীশূন্য হইয়া রাজ্য গো যাবে ছাড়খারে।।
পরের কথা কাণে লইলে গো নিজের সর্ব্বনাশ।
চন্দ্রাবতী কহে রামের গো বুদ্ধি হইল নাশ।।’
ঠেকায় পড়ে যে সীতাকে আবার ফিরিয়ে আনা হল, তাকেই আবার সবার সামনে সতীত্বের পরীক্ষা দিতে আগুনের বুকে ঠেলে দেয় রামচন্দ্র। পুরুষের ভালবাসা! চন্দ্রাবতী সীতাকে আশ্রয় করে দেয় বসুমতীর কোলে। দীর্ঘ লেখা শেষ হতেই অদ্ভুত শূন্যতা গ্রাস করে চন্দ্রাবতীকে।
হৃদয়ের সুপ্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে শিবের ধ্যানে ডুবে যেত চন্দ্রাবতী। সন্ধান করত শান্তির। তেমনই এক দিনে, ধ্যানমগ্না চন্দ্রাবতীর দ্বারে এসে উপস্থিত হয়েছিল জয়ানন্দ। যার বিরহে এতকাল যোগিনী-জীবন কাটিয়েছে চন্দ্রাবতী, সে যে আবার তার কাছেই ফিরে এসেছিল, সে-কথা অবশ্য সেদিন জানতেও পারেনি চন্দ্রাবতী। শত ডাকাডাকি সত্ত্বেও ধ্যান ভাঙেনি তার। ভগ্নহৃদয় জয়ানন্দ সেদিন মাধবী ফুলের পাপড়ি ডলে রঙ বানিয়ে, মন্দিরের কপাটে লিখেছিল তার প্রেমের শেষ স্বীকারোক্তি—
‘শৈশবকালের সঙ্গী তুমি যৈবনকালের সাথী।
অপরাধ ক্ষমা কর তুমি চন্দ্রাবতী॥
পাপিষ্ঠ জানিয়া মোরে না হইলা সম্মত।
বিদায় মাগি চন্দ্রাবতী জনমের মত॥’

অতঃপর এক সময় ধ্যান ভাঙে চন্দ্রাবতীর। শিবলিঙ্গে প্রণাম জানিয়ে মন্দির থেকে বেরিয়ে কপাট বন্ধ করতে গিয়ে চোখে পড়ে লেখাটা। তবে, বিশেষ বিকার দেখা যায় না তার মুখে। বরং যবনের স্পর্শে অপবিত্র মন্দির ধোয়াতে, কলসিটা তুলে নিয়ে ধলেশ্বরীর দিকে রওনা দেয় সে।
ধলেশ্বরীর পাড়ে পৌঁছে আর জল নেওয়া হয় না তার। ঘাটে পৌঁছেই বজ্রাহতের মতো দাঁড়িয়ে পড়তে হয়। জলে ভাসমান জয়ানন্দের মৃতদেহ। আত্মহত্যা। ধলেশ্বরীর জোয়ারের জল যেন তার বুকে এসে লাগে। দীর্ঘ সাধনায় অর্জিত স্থৈর্য উধাও হয়ে যায় এক লহমায়। এক মুহূর্তের জন্য সে ভেবেছিল, তারও আশ্রয় ধলেশ্বরীর বুকেই হওয়া উচিত। সিঁড়ি দিয়ে নেমেও গিয়েছিল বেশ খানিকটা। কিন্তু পায়ে জলের ছোঁয়া লাগতেই ঘোর ভাঙে।
সীতার পরিণতি পূর্ব নির্ধারিত ছিল। কিন্তু, তার জীবন তারই হাতে। চোখের জল সম্বল করে, জীবনযুদ্ধে আর হেরে যাবে না সে। হেরে যেতে দেবে না তাঁর মতো মেয়েদেরও। নারীজন্মের সম্মান সে উদ্ধার করবে লেখনী মারফত। নিজের মৃতদেহে নয়, পুনর্নির্মিত রামায়ণের শরীরে বহন করবে নারীপ্রেমের যন্ত্রণা!
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত