Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

প্রান্তজনের লুপ্ত ‘সঙ’গীত- বাঙালির নিউ ইয়ার ইভ

অরুণাভ চৌধুরী

এপ্রিল ১৪, ২০২৬

Song Er Gaan
Bookmark (0)
Please login to bookmark Close
(Song Er Gaan)

চৈত্রের গরমে সেবার হাঁসফাঁস করছে গোটা শহর। ওয়েলিংটন স্ট্রিটের বাড়িতে বসে পুরনো ‘প্রবাসী’র পাতা ওল্টাচ্ছেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সহকারী নির্মল চন্দ্র চন্দ্র। খবরের কাগজ জুড়ে তখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। কিন্তু যুদ্ধের মাঝেই একটা খবরে চোখ আটকে গেল।

‘…প্রথম বারের প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্ন চুরি যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার পরীক্ষা গৃহীত হওয়ার পূর্ব্বে তাহার প্রশ্নও চুরি যাওয়ায় ঐ পরীক্ষা নাকচ হইয়াছে, এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজ্ঞাপন দিয়াছেন যে ১৫ ই মের পূর্ব্বে আর পরীক্ষা গৃহীত হইবে না।…’


আরও পড়ুন: ওরে পথিক, ওরে প্রেমিক


পাতাটা ভাঁজ করে তুলে রাখলেন তিনি।

সেদিন সন্ধ্যেয় রসরাজ অমৃতলাল বসু আসতে না আসতেই, হাতে ধরিয়ে দিলেন সকালের ভাঁজ করে রাখা প্রবাসীর পাতাটি, ‘পড়ে দেখ খবরখানা।’

বাসভবনের একপাশে তখন চলছে সঙের দলের মহড়া। চৈত্র সংক্রান্তির আগে ফি বছরই এক মাস ধরে চলে এই হুলস্থুল কাণ্ড। ১৯১৩ সাল থেকেই। জেলেপাড়ার সঙ-দের নিয়ে কাজ শুরু করার পর থেকে এই নিয়মের ব্যত্যয় হয়নি।

খবরটা পড়ে খানিক বিদ্রুপের সুরেই অমৃতলাল বললেন— ‘মোসাহেব তৈরির কারখানা চালাতে গিয়েও এরা ফেল মেরেছে দেখছি।’

Song Er Gaan
বাঙালির কাছে চিত্ত বিনোদন ছাড়াও হাসির মারের হাতিয়ার হয়ে উঠেছিল সঙের গান

— ‘একদমই তাই। আর, এই মারাত্মক ব্যাপারখানা এড়িয়ে গেলে চলবে না। এতগুলো ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে…’

— ‘বুঝেছি এ নিয়ে একখানা গান বাঁধতে হবে, তাই তো?’

খানিক হেসে নির্মল চন্দ্র বলেন- ‘এই তো! খাসা বুঝেছ। তবে খেয়াল রেখ, সার কথাটা ঘুরিয়ে বললেও হুলের ধার যেন না কমে।’

গোড়ায় অনেকে ভাবল, এ বুঝি ভারতচন্দ্রের বিদ্যাসুন্দরের কাহিনি। কিন্তু ভালভাবে খেয়াল করতেই বোঝা গেল, খোঁচা মারা হয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে। প্রশ্নফাঁসের কেলেঙ্কারি বেশ রটেছিল কি না!

সে বছর সংক্রান্তিতে রমানাথ কবিরাজ লেন, ওয়েলিংটন স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, আর্মহার্স্ট স্ট্রিটের দু’পাশে উপচে পড়া জনতা শুনল এক আদ্যন্ত নতুন গান—

‘বিদ্যার মন্দিরে এ সিঁদ কেটেছে কোন চোরে?
সখীরা নেকী নাকি পড়লো ফাঁকি
কেউ দেখেনি ঘুমের ঘোরে।।
বিদ্যা সর্ববিদ্যা অধিকারী
দেবের প্রসাদে গুমোর গো ভারি,
নইলে নারী হয়ে জয়ের জারি,
করেন তিনি কোন জোরে।।
বিদ্যা নিত্য পূজে আশুতোষে,
থাকে উপোসে,

চন্দ্রমোহন বদনখানি,
ঘোমটা দিয়ে ঢাকেন রাণী
নিলেন বাইশ বুরুল
ফুলের শয্যা লজ্জায় বুঝি যান মরে,’

গোড়ায় অনেকে ভাবল, এ বুঝি ভারতচন্দ্রের বিদ্যাসুন্দরের কাহিনি। কিন্তু ভালভাবে খেয়াল করতেই বোঝা গেল, খোঁচা মারা হয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে। প্রশ্নফাঁসের কেলেঙ্কারি বেশ রটেছিল কি না!

তবে শুধুই খোঁচা মারা গান নয়, দরদি গানও অনেক লিখেছে সঙের দল। এই যেমন আশুতোষ মুখোপাধ্যায় যখন প্রয়াত হলেন, তখন গোটা বাংলায় নেমে আসা শোকের ছায়া ধরা থাকল জেলেপাড়ার সঙের গানে

‘বিদ্যার মন্দির’ এখানে বিদ্যাসুন্দরের নায়িকা বিদ্যার ঘর নয়, আসলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে নায়ক সুন্দর নয়, সিঁদ কেটে ঢুকেছে প্রশ্নচোর। আবার, ‘বিদ্যা সর্ববিদ্যা অধিকারী/ দেবের প্রসাদে গুমোর গো ভারি’ লিখে রসরাজ সোজাসুজি খোঁচা মেরেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তদানীন্তন উপাচার্য দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারীকে। ছাড় পাননি প্রাক্তন উপাচার্য স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ও। ‘বিদ্যা নিত্য পূজে আশুতোষে,/ থাকে উপোসে’ শুনে অনেকে ভাবল সংক্রান্তির দিন শিবের স্তুতি চলছে! তবে সমঝদারেরা ঠিকই বুঝল যা বোঝার!

তবে শুধুই খোঁচা মারা গান নয়, দরদি গানও অনেক লিখেছে সঙের দল। এই যেমন আশুতোষ মুখোপাধ্যায় যখন প্রয়াত হলেন, তখন গোটা বাংলায় নেমে আসা শোকের ছায়া ধরা থাকল জেলেপাড়ার সঙের গানে—

Song Er Gaan
সে বছর সংক্রান্তিতে রমানাথ কবিরাজ লেন, ওয়েলিংটন স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, আর্মহার্স্ট স্ট্রিটের দু’পাশে উপচে পড়া জনতা শুনল এক আদ্যন্ত নতুন গান

“আজ শিবের গাজন শিবের ভজন
শিবের পূজন, চড়ক-চৈত্র শেষে।
হায়! হায়! আশুতোষের পূজায় বসে
দেখি আশু নেইকো দেশে।

আশুতোষ যে মহাসুর
তেজে মর্ত্তের ভবানীপুর
কৈলাসে ভবানীপুরে করছেন এখন বাস।।”

মাস্টারদাকে খ্যাপা কুকুরের মতো খুঁজছে ব্রিটিশ পুলিশ। জেলেপাড়ার সঙ যে বরাবরই তার প্রতিবাদী চরিত্র বজায় রেখে এসেছে, সে কথা অজানা নয় ব্রিটিশ পুলিশের।

বছর খানেক পর সেদিনের মতোই আরেক চৈত্রের সন্ধ্যে। ঘামতে ঘামতে নির্মল চন্দ্রের ঘরে ঢুকলেন বছর পঞ্চাশের এক ভদ্রলোক। একটু হাঁফ নিতেই নির্মলবাবু জানতে চাইলেন, ‘কী ব্যাপার শরৎবাবু? সব কুশল তো?’

— ‘লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ফরমান বেরিয়েছে, দেখেননি? শোভাযাত্রায় যে যে ছড়া, গান, পথনাটক হবে, তার মূল খসড়া পুলিশকে পাঠাতে হবে। শোভাযাত্রায় যে যে দল থাকবে, তাদের বিবরণী ও বক্তব্যও লিখিত আকারে পুলিশ কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। অনুমোদন না পেলে কোনওকিছুই করা যাবে না।’ ঘাম মুছে গলার স্বর খানিক খাদে নামিয়ে এক নিঃশ্বাসে বলে গেলেন শরৎচন্দ্র পণ্ডিত ওরফে দাদাঠাকুর।

Song Er Gaan
সেই যে জেলেপাড়ার সঙ-লাপ বন্ধ হল, ভারত স্বাধীন হওয়া অবধি তা বন্ধই রইল

কথাগুলো শুনে ভ্রু কুঁচকে উঠল নির্মল চন্দ্রের। এমন কিছু যে ঘটতে চলেছে, তা আঁচ করতে পারছিলেন আগেই। গত বছরই চট্টগ্রাম অস্ত্রাগারে লুণ্ঠন হল। মাস্টারদাকে খ্যাপা কুকুরের মতো খুঁজছে ব্রিটিশ পুলিশ। জেলেপাড়ার সঙ যে বরাবরই তার প্রতিবাদী চরিত্র বজায় রেখে এসেছে, সে কথা অজানা নয় ব্রিটিশ পুলিশের। এর আগেও বিদেশি পণ্য বয়কটের সময় ব্রিটিশদের কাছা খুলে দিয়েছিল জেলেপাড়ার সঙেরা। তখন গান বেঁধেছিল—

‘বিদেশী মাল হলো পয়মাল, বিকোয় না প্রায় আর হাটে।
বিদেশী নুন, চিনি, বসন দূর কর ঝাঁটার চোটে।।
গোরার পায়ে তেল না দিয়ে, আপন বশে খাও খেটে।
হিঁদু-মুসলমান সব মিলে কোমরটা ভাই বাঁধো এঁটে।।
এমন করে যাবে না দিন, ফিরিঙ্গীদের ফ্যান চেটে।।’

এসব গান বেঁধে লোককে শুনিয়ে বেড়ানো যে ঘুরিয়ে বিদ্রোহে ইন্ধন দেওয়া, সে কি আর বলে দেওয়ার অপেক্ষা রাখে! তাই সঙের দলের উপরেও এবার ছড়ি ঘোরাতে চায় পুলিশ।

ছাড় পাননি মেকলে সাহেবও। ফিরিঙ্গিদের শিক্ষানীতি যে চাকর তৈরির কায়দা, সেকথা দেশবাসীকে বোঝাতে ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে বলেন ‘গোলদিঘীর গোলামখানা’। জেলেপাড়ার সঙ সেই কথাই যেন পৌঁছে দিল মানুষের ঘরে ঘরে—

‘নিজের হাতেই নিতে হবে নিজের শিক্ষার ভার।
পরের দেওয়া শিক্ষা সে তো বিড়ম্বনা সার।।
নিজের দেশের জ্ঞানের আলো, নিজের শক্তি দিয়ে জ্বালো।
নিজের সাধনাতেই ঘোচাও নিজের অন্ধকার।।’

এসব গান বেঁধে লোককে শুনিয়ে বেড়ানো যে ঘুরিয়ে বিদ্রোহে ইন্ধন দেওয়া, সে কি আর বলে দেওয়ার অপেক্ষা রাখে! তাই সঙের দলের উপরেও এবার ছড়ি ঘোরাতে চায় পুলিশ।

কিন্তু জেলেপাড়ার সঙের দল ‘ভাঙল, তবু মচকাল না।’ পুলিশের ঠিক করা গান করার চেয়ে গান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল সঙ সংগঠন সমিতি। সেই যে জেলেপাড়ার সঙ-লাপ বন্ধ হল, ভারত স্বাধীন হওয়া অবধি তা বন্ধই রইল।

১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হল। কিন্তু বাংলা টালমাটাল। দুর্ভিক্ষ, দেশভাগের মাঝে যেন বাঙালি হাসতে ভুলে গেল কিছুকাল। এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে জেলেপাড়ার সঙ-এর প্রদর্শনী চলল। কিন্তু আগের মতো সেই উপচে পড়া ভিড় দেখা গেল না।

আঠারো শতকের শেষ দিক পর্যন্ত ‘সঙ’ মানে ছদ্মবেশ ধারণ করাকেই বোঝাত। উনিশ শতকের গোড়ায় চড়ক গাজনের মতো অনুষ্ঠানে ধর্মীয় শোভাযাত্রায় কিছু মানুষ বাহারি সাজ পোশাক পরে নানান অঙ্গ-ভঙ্গি করতেন। তাদেরকেই ধীরে ধীরে সঙ বলার রেওয়াজ শুরু হল। সেখান থেকে প্রচলন হয় এক বাঙালি লব্জেরও— ‘সঙ সেজেছে’।

পুজোপার্বণ ছাড়াও, অনুষ্ঠান বাড়িতে আমোদ ও আহ্লাদের জন্য সঙদের আনা হত। যাত্রাপালার পাশাপাশি তখন থেকেই কলকাতা ধীরে ধীরে বাসা বাঁধে এই সঙ-স্কৃতি। তবে ‘লোক হাসানো’র পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিবাদের ভাষাও হয়ে ওঠে সঙের গান। এক সময় কাঁসারিপাড়া, খিদিরপুর, আহিরীটোলা প্রভৃতি অঞ্চলেও ছিল সঙ-এর দল। তাদের জনপ্রিয়তাও ছিল বিপুল। তবে সেই দলগুলি জেলেপাড়ার সঙ-এর মতো দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

Song Er Gaan
নানা কারণে জেলেপাড়ার সঙের জৌলুশ কমতে থাকে

১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হল। কিন্তু বাংলা টালমাটাল। দুর্ভিক্ষ, দেশভাগের মাঝে যেন বাঙালি হাসতে ভুলে গেল কিছুকাল। এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে জেলেপাড়ার সঙ-এর প্রদর্শনী চলল। কিন্তু আগের মতো সেই উপচে পড়া ভিড় দেখা গেল না। ১৯৯৩ সালে ‘কলিকাতা কৈবর্ত সমিতি’-র ৭৫ বছর পূর্তিতে পুনরায় তৃতীয় পর্যায়ে জেলেপাড়ার সঙের শোভাযাত্রা বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তৎকালীন স্থানীয় বিধায়ক সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জেলেপাড়ার সঙদের আর্থিক সহযোগিতার প্রস্তাব আনেন বিধানসভায়। অন্যরা সহমত হলে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের তখনকার মন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তা মঞ্জুর করলেন।

ধীরে ধীরে রাজনৈতিক পট-পরিবর্তন, সরকারি অনুদান বন্ধ হয়ে যাওয়া, সাধারণ জনগণের আগ্রহ কমে যাওয়ার মতো নানা কারণে জেলেপাড়ার সঙের জৌলুশ কমতে থাকে।

সঙের দলের প্রধান উদ্যোক্তা শঙ্করপ্রসাদ দে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে, সংস্কৃতিপ্রেমী বুদ্ধবাবু জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আগে তো সরকার আর কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে জেলেপাড়ার সঙ অনেক কথা বলত, এবারেও কি কিছু বলা হবে?’ শঙ্করবাবু তৎক্ষণাৎ শুনিয়ে দেন— ‘প্রাথমিক থেকে ইংরেজি পড়া/ তুলে দিল যে বাংলা প্রেমীরা/ Future গড়তে তাদের ছেলেরা/ যায় ইংলিশ স্কুল।’

সরকারি সাহায্য না পেলে হাল ফেরানো মুশকিল ছিল জেলেপাড়ার সঙেদের। কিন্তু সে সাহায্য ধার কমাতে পারেনি কোনও গানের। বামফ্রন্ট সরকারের সমালোচনা করতে কখনও সঙের দল লিখেছে, ‘জমিদারীর দিন গিয়েছে পঞ্চায়েতী রাজ হয়েছে,/ এক বছরেই মাটির ঘরে বসছে বাতানুকূল’, কখনও আবার আসর মাতিয়েছে— ‘ভোটের আগে ওয়াদার ফিরিস্তি, স্বর্গ বানিয়ে দেওয়ার লিস্টি/ বিয়ে ফুরোলেই ছাতনায় লাথি, জানিয়া ক’রো না ভুল’ গেয়ে।

কথায় বলে হাসির মার বড় মার। ক্ষমতাবান প্রতিপক্ষকে বাহুবলে টক্কর দেওয়া সম্ভব নয়। কথার মারপ্যাঁচেই ব্যঙ্গ করে খানিকটা গায়ের ঝাল মেটায় দুর্বল শ্রেণি। তাই উনিশ শতকের কলকাতায় নিচুতলার বাঙালির কাছে চিত্ত বিনোদন ছাড়াও হাসির মারের হাতিয়ার হয়ে উঠেছিল সঙের গান। স্থানকালভেদে সঙের গানে অপশব্দ, আদিরস থাকত বলে, কেশবচন্দ্র সেন একে ‘পাবলিক অবসিনিটি’ বা অশ্লীল বলেছিলেন। তবে সঙের গান সামাজিক, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জন্ম দিয়েছিল প্রতিবাদী সংস্কৃতির, হয়ে উঠেছিল নিচুতলার মানুষদের স্বর। সে কথা আজ বিস্মৃতপ্রায়।

ধীরে ধীরে রাজনৈতিক পট-পরিবর্তন, সরকারি অনুদান বন্ধ হয়ে যাওয়া, সাধারণ জনগণের আগ্রহ কমে যাওয়ার মতো নানা কারণে জেলেপাড়ার সঙের জৌলুশ কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত আজ তার পাকাপাকি ঠাঁই মানুষের স্মৃতি এবং বইয়ের পাতায়। তবে, এখন এমন গান বাঁধলে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ চুপচাপ বসে থাকত কি না, সে কথা বলা মুশকিল!

তথ্যসূত্র
বাংলাদেশের সঙ প্রসঙ্গে – বীরেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়
কলিকাতার পুরনো কাহিনী ও প্রথা – মহেন্দ্রনাথ দত্ত
সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জেলে কৈবর্ত, আদি কলকাতার জেলেপাড়া, জেলেপাড়ার সঙ – শঙ্করপ্রসাদ দে
সংবাদপত্রে সেকালের কথা – ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
উনিশ শতকের কলকাতা ও সরস্বতীর ইতর সন্তান – সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Picture of অরুণাভ চৌধুরী

অরুণাভ চৌধুরী

'এত বুড়ো কোনোকালে হব নাকো আমি/হাসি-তামাশারে যবে কব ছ্যাব্‌লামি।' রবি ঠাকুরের এই লাইন দুটিই জীবনের মূল মন্ত্র। পুরাণ, ইতিহাস ও মধ্যযুগের বাংলাসাহিত্য নিয়ে পড়াশোনায় অগাধ আগ্রহ। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক।
Picture of অরুণাভ চৌধুরী

অরুণাভ চৌধুরী

'এত বুড়ো কোনোকালে হব নাকো আমি/হাসি-তামাশারে যবে কব ছ্যাব্‌লামি।' রবি ঠাকুরের এই লাইন দুটিই জীবনের মূল মন্ত্র। পুরাণ, ইতিহাস ও মধ্যযুগের বাংলাসাহিত্য নিয়ে পড়াশোনায় অগাধ আগ্রহ। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe To Newsletter

কথাসাহিত্য

হেমেন্দ্রকুমার রায়
বিতস্তা ঘোষাল
নীলাঞ্জন দরিপা

সংস্কৃতি

আহার

অমৃতা ভট্টাচার্য
ইন্দ্রনাথ রুদ্র
অমৃতা ভট্টাচার্য

বিহার

কলমকারী

ফোটো স্টোরি

উপন্যাস

বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
বিতস্তা ঘোষাল
[adning id="384325"]
[adning id="384325"]

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com