ভ্রমণের নবম দিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনে হল আজ জাপানের সভ্যতার আদিপর্ব চাক্ষুষ করব। ব্রেকফাস্ট সেরে ওসাকা শহর ভ্রমণের জন্য রেডি হতেই আমাদের নির্দিষ্ট কোচ হোটেলের সামনে এসে হাজির। জাপানি ড্রাইভার হাসি মুখে বলল, ও-হা-য়ো! অর্থাৎ গুড মর্নিং। প্রত্যুত্তর দিয়ে হাসি। লিখছেন কৃষ্ণা রায়...
নামিবিয়া এমন একটি দেশ যেখানে আটলান্টিক মহাসাগরের নীল জল এসে আছড়ে পড়ে পৃথিবীর প্রাচীনতম মরুভূমির বুকে। সেই বৈপরীত্যের সুরে তাল মিলিয়ে শুরু হল এই নামিবিয়া যাত্রা। আকাশ থেকে দেখে মনে হচ্ছিল কেউ যেন বিস্তীর্ণ এক ক্যানভাসে লাল, হলুদ আর কমলার আবির ছড়িয়ে দিয়েছে। লিখছেন বন্দনা দাশগুপ্ত সেন...
টোকিওর পশ্চিম দিকের এই শিজুয়োকা এলাকাটা জাপানের বিখ্যাত গ্রিন টি চাষের জন্য। আজ মেঘলা দিন। আমাদের গন্তব্য একটি বিখ্যাত বিস্তৃত চা বাগান। যাত্রাপথের দু’ধারে ঘন জঙ্গল আর শুধু সাদা চেরি ফুলের গাছ। লিখছেন কৃষ্ণা রায়...
এবারে কার্তিক পড়তে না পড়তেই গ্রাম দেশে হাওয়া ঘুরে গেছে। সে হাওয়ায় আদুরে কাঁথা কম্বল উত্তাপ মাখে, পিঠে রোদ পেতে নিতে নিতে কিশোরীবেলা কদবেল মাখা খায়। এদিক সেদিকে খেজুর গাছ ঝাড়া হয়ে গেছে। প্যাকাটি দিয়ে ঘর বানাতে ব্যস্ত শিউলিরা। তাদের লম্বাটে উনোনের চারিধার নিকিয়ে টানটান। বনজ কুসুম পর্ব ৩০। লিখছেন অমৃতা ভট্টাচার্য...
বাঙালির পুজো যখন, তখন নতুন ও পুরনো স্বাদের বাঙালি রান্না তো থাকেই। তবে বাঙালি নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখেও নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করতে থাকে অনবরত। লিখছেন শ্রুতি গঙ্গোপাধ্যায়...
আশ্বিনের আলোর মতো আর কী আছে! সে যেন সকলকে ছাপিয়ে যায়, ঝরিয়ে দেয় তার শিউলি। ভোরেরা এখন হিম মাখতে শুরু করেছে। সেই অস্বচ্ছ হিমতন্তুর ওপার থেকে দেখা দেন আলোর দেবতা। তখন কোঁচড় ভরে ফুল কুড়োতে যাই। বনজ কুসুম পর্ব ২৯। লিখছেন অমৃতা ভট্টাচার্য...
ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশ আমাদের ভারতবর্ষ, ফলে এ দেশে গরমের দাপট বেশি। এই বছর উষ্ণায়নের প্রভাবে এক দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছে গোটা দেশ। মৌসুমী বায়ুর গতিপ্রকৃতি বোঝা ভার! পশ্চিম ভারতের অবস্থা অসহনীয়। লিখছেন সোমনাথ মুখোপাধ্যায়...
ভারতে প্রতি ২৮ জনের মধ্যে ১ জনের স্তনের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা। এর মধ্যে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জনের জীবনহানির সম্ভাবনা। সাধারণত অনেক দেরিতে ধরা পড়ে, শতকরা ৬০ ভাগের স্টেজ ৩ এবং ৪ অবস্থায় ধরা পড়ে ক্যানসার। লিখছেন চিকিৎসক অশোক কুমার ঘোষ...
চেম্বারে আসা পুলিশ বন্ধুর হাত থেকে সমস্ত রিপোর্ট গুলো খুঁটিয়ে দেখতে শুরু করলাম। লিভার এনজাইম বেড়েছে কিন্তু বিলিরুবিন স্বাভাবিক। অ্যালবুমিন কমেছে। প্লেটলেট কম। লিম্ফোসাইটের পরিমাণ প্রথমে কমলেও পরের রিপোর্টে তা স্বাভাবিকের থেকে খানিক বেড়েছে। রোগীর হাতের স্যালাইনের নলটিকে সাবধানে সরিয়ে রেখে জামা খুলে দেখলাম র্যাশ গুলো কেন্দ্রমুখী। লিখছেন ডঃ শুভেন্দু বাগ...