কঙ্গনার ‘জয়ললিতা’র কাজ বন্ধ

Kangana jayalalitha

বছরের শুরু থেকেই তামিল নাড়ুর প্রয়াত মুখমন্ত্রী জয়ললিতার বায়োপিক নিয়ে বলিউড সরগরম ছিল। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল কঙ্গনা রানাওতকে। এই নিয়ে অবশ্য কম সমালোচনা হয়নি। কঙ্গনার চেহারার সঙ্গে জয়ললিতার চেহারার কোনও মিল নেই, উপরন্তু বয়সকালে জয়ললিতার চরিত্রে অভিনয় করার জন্য যে দক্ষতা চাই, তা কঙ্গনার নেই বলেই অনেকে মনে করছিলেন। ইন্ডাস্ট্রির একাংশ চাইছিলেন অভিনেত্রী বিদ্যা বালানকে। আগে নাকি ওঁকেই এই ছবিতে সাইন করা হয়েছিল। পরে অবশ্য বিদ্যা এই ছবি থেকে ওয়াক আউট করে যান। কঙ্গনা অবশ্য তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, যে তাঁর জীবনের সঙ্গে নাকি জয়লিলতার জীবনের সাংঘাতিক মিল, তাই উনি ছাড়া কেউই এই ভূমিকায় মানাবেন না।

এখন অবশ্য কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে যে, সিনেমাটি হয়তো বা তৈরি হবে না। তামিল ছাড়াও ছবিটি তেলেগু ও হিন্দিতে তৈরি হওয়ার কথা ছিল। হিন্দিতে প্রথমে ছবির নাম ‘জয়া’ রাখা হলেও পরে তা তামিল ও তেলেগুর মতো বদলে করা হয়েছিল ‘থালাইভি’। ছবি তৈরি করতে মূল টাকা খরচ হত ৫৫ কোটি আর কঙ্গনা এই ছবিতে অভিনয় করার জন্য চেয়েছিলেন ২০ কোটি। কিন্তু এই টাকাটা সম্ভবত পুরোটা জোগাড় করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তাই ছবির কাজ কিছু দিনের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এ দিকে জয়ললিতাকে নিয়ে একাধিক সিনেমা ও ওয়েব সিরিজ ঘোষণা করা হয়েছে। পরিচালক প্রিয়দর্শন ইতিমধ্যে তাঁর ছবি ‘দ্য আয়রন লেডি’র প্রথম পোস্টার প্রকাশ করে ফেলেছেন। নিত্যা মেননকে দেখা যাবে জয়ললিতার ভূমিকায়। আবার পরিচালক গৌতম বাসুদেব মেনন এই একই বিষয়ের উপর ওয়েব সিরিজ বানাচ্ছেন, যার নাম উনি দিয়েছেন ‘ক্যুইন’। ফলে কঙ্গনার জয়ললিতা যে ভালই টক্কর পাবে তা অনুমান করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে তাই আপাতত ছবির কাজ কিছু দিন পর থেকে শুরু হবে। অক্টোবরের শেষে ছবির শুটিং শুরু হলেও হতে পারে। কঙ্গনার শেষ ছবি ‘জাজমেন্টাল হ্যায় ক্যা’ বক্স অফিসে একদম সাড়া ফেলতে পারেনি। ‘মনিকর্ণিকা’-ও সমলোচিত হয়েছে। তার উপর আবার কঙ্গনার আচরণ লোকের কাছে তাঁকে অপ্রিয় করে তুলেছে। সব মিলিয়ে কঙ্গনার পরিস্থিতি যে একটু টালমাটাল তা মানতেই হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কফি হাউসের আড্ডায় গানের চর্চা discussing music over coffee at coffee house

যদি বলো গান

ডোভার লেন মিউজিক কনফারেন্স-এ সারা রাত ক্লাসিক্যাল বাজনা বা গান শোনা ছিল শিক্ষিত ও রুচিমানের অভিজ্ঞান। বাড়িতে আনকোরা কেউ এলে দু-চার জন ওস্তাদজির নাম করে ফেলতে পারলে, অন্য পক্ষের চোখে অপার সম্ভ্রম। শিক্ষিত হওয়ার একটা লক্ষণ ছিল ক্লাসিক্যাল সংগীতের সঙ্গে একটা বন্ধুতা পাতানো।