১
কবিতার মুহূর্তে এক-একটা আঙুলে চাপ চাপ রক্ত জমে। নখের তলায় জমে শব্দের পুঁজ; রাগি শব্দেরা রাত জাগে; মন-খারাপ শব্দগুলো পড়ে থাকে একা; এভাবেই জমা শব্দের পুঁজে আঙুল ফুলে বাকিটা সহজ হয়ে যায়; অবশেষে জড়তা এলে, নখ থেতলে কবিতা তার কাজ করিয়ে নেয়।
২
লেখার মুহূর্তে গলার কাছটা দলা পাকিয়ে আসে। দু’চোখ ভাসার মুখে ভারি হয় জিব, এভাবেই চোখ-গলা ধরে এলে বাকিটা সহজ হয়ে যায়। ব্যাথা-ভারে নুইয়ে পড়া গলা-চোখে কবিতা তার ভার বইয়ে নেয়।
৩
কবিতার মুহূর্তে শরীর জুড়ে জ্বালা ধরে। চামড়ার অন্দর-দেহে বয় দহন, মাথায় রগের টান, চারদিকে হুটোপুটি লাগে; এভাবেই শরীর গুলিয়ে উঠলে বাকিটা সহজ হয়ে যায়। ধীর-কষ্ট গা সওয়া হলে; অচেনা-অক্ষরে বাধা চেনা-শব্দ জড়িয়ে আসে ঘুম; শরীর নিঙড়ে লেখা তার কাজ সারে, একান্তে।