হেলেন কেলারের ‘দি ওপেন ডোর’: অন্তর্দৃষ্টি ও অবিনাশী চেতনার এক কালজয়ী দর্শন

The Open Door Review
The Open Door Review

হেলেন কেলারের ‘দি ওপেন ডোর’: অন্তর্দৃষ্টি ও অবিনাশী চেতনার এক কালজয়ী দর্শন

(The Open Door Review)

প্রথম পর্ব

“When one door of happiness closes, another opens; but often we look so long at the closed door that we do not see the one which has been opened for us”

মানুষের জীবন এক বহমান নদী, যেখানে রূপান্তরই একমাত্র ধ্রুব সত্য। এই নিরন্তর পথ চলায় কখনও প্রিয় কোনও বিচ্ছেদ, কখনও বা কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের অপমৃত্যু আমাদের থমকে দেয়। মহিয়সী হেলেন কেলারের ভাষায়, এটি যেন জীবনে ‘সুখের একটি দ্বার রুদ্ধ হয়ে যাওয়া’। বিচ্ছেদ বা ব্যর্থতার সেই দহনটুকু হয়তো অমোঘ, কিন্তু বিষাদ যখন আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে, তখনই বিপত্তি। আমরা প্রায়শই সেই বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে হাহাকারের দীর্ঘশ্বাসে বর্তমানকে ভারী করে তুলি। অতীতের সেই ‘না-পাওয়া’র কুয়াশা আমাদের দৃষ্টিকে এতটাই ঝাপসা করে দেয় যে, বিধাতা আমাদের জন্য যে নতুনের বাতায়ন খুলে দিয়েছেন, তা আমাদের অগোচরেই থেকে যায়।


আরও পড়ুন: বেলকুলাইয়ের দাসবাড়ি: সিনেমার পর্দা পেরিয়ে এক জীবন্ত দুর্গোৎসব


অথচ জীবন স্থবিরতার নাম নয়। একটি পথের সমাপ্তি মানেই অন্য এক দিগন্তের উন্মোচন। জীবনের সার্থকতা কেবল প্রাপ্তির উল্লাসে নয়, বরং হারানোর ক্ষতকে পাথেয় করে নব উদ্যমে পথ চলার সাহসে। যে মানুষ অতীতের শোককে ঝেড়ে ফেলে বর্তমানের আলোয় চোখ মেলতে পারে, সে-ই দেখতে পায় তার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা সাফল্যের নতুন কোনও সোপান।

হারানোকে মেনে নিয়ে নতুনের জয়গান গাওয়ার মধ্যেই নিহিত রয়েছে জীবনের প্রকৃত মহিমা— তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদ্ঘাটন, সূর্যের মতন। রিক্ততার বক্ষ ভেদি আপনারে করো উন্মোচন।/ ব্যক্ত হোক জীবনের জয়, ব্যক্ত হোক তোমা মাঝে অসীমের চিরবিস্ময়।

The Open Door Review
হারানোকে মেনে নিয়ে নতুনের জয়গান গাওয়ার মধ্যেই নিহিত রয়েছে জীবনের প্রকৃত মহিমা— তোমার প্রকাশ হোক কুহেলিকা করি উদ্ঘাটন, সূর্যের মতন।

হেলেন কেলার তাঁর ‘দি ওপেন ডোর’ (The Open Door) গ্রন্থে জীবনের এক গভীর সত্যকে উন্মোচন করেছেন। দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তিহীন একজন মানুষের কাছে পৃথিবী অন্ধকার ও নিস্তব্ধ হলেও, কেলার দেখিয়েছেন যে প্রকৃত আলো এবং সুর বাইরের জগতে নয়, বরং মানুষের অন্তরে বিরাজ করে। তাঁর এই দর্শন কেবল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের জয়গান নয়, বরং তা যুগে যুগে বিশ্বসাহিত্যের মহান কবি ও দার্শনিকদের চিন্তাধারার সঙ্গে মিলে এক অনন্য রূপ ধারণ করেছে।

‘দ্য ওপেন ডোর’ (১৯৫৭) হেলেন কেলারের জীবনের শেষ দশকে প্রকাশিত হয়েছিল, যখন তিনি একজন লেখিকা এবং সমাজকর্মী হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তার শুরুর দিকের আত্মজীবনীগুলোর মতো না হয়ে, এই বইটি মূলত কিছু উদ্ধৃতি ও ভাবনার সংকলন, যা তার সারজীবনের দর্শনকে তুলে ধরে।

তাঁর মানবিকবোধের মূলে ছিল এক গভীর বিশ্বাস— যেখানে শারীরিক সীমাবদ্ধতা আত্মার প্রসারের পথে বাধা হতে পারে না। এই বইটির পরতে পরতে কেলার আমাদের শেখান, সহমর্মিতা এবং অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমেই মানুষ তার ক্ষুদ্র আমিত্বকে ছাড়িয়ে বৃহত্তর মানবতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

৭৭ বছর বয়সে প্রকাশিত এই বইটিতে তাঁর পূর্ববর্তী কাজ যেমন ‘অপটিমিজম’ (১৯০৩) এবং ‘দ্য ওয়ার্ল্ড আই লিভ ইন’ (১৯০৮) থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান সঞ্চিত হয়েছে। ‘The Open Door’ কেবল একটি গ্রন্থ নয়, বরং এটি অন্ধকার ও নৈঃশব্দ্যের প্রাচীর ভেদ করে খুঁজে পাওয়া এক অদম্য মানবিক চেতনার ইশতেহার। এছাড়াও আশাবাদের প্রতিফলন তাঁর চরিত্রে বারবার দেখি। তিনি বলছেন: “Keep your face to the sunshine and you cannot see the shadows. It’s what the sunflowers do.”

তাঁর এই চিন্তার দর্শনই প্রমাণ করে যে, দৃষ্টিহীনতা বা শ্রবণহীনতা তাঁর আত্মিক শক্তিকে রুদ্ধ করতে পারেনি।

The Open Door Review
তাঁর এই চিন্তার দর্শনই প্রমাণ করে যে, দৃষ্টিহীনতা বা শ্রবণহীনতা তাঁর আত্মিক শক্তিকে রুদ্ধ করতে পারেনি।

তাঁর মানবিকবোধের মূলে ছিল এক গভীর বিশ্বাস— যেখানে শারীরিক সীমাবদ্ধতা আত্মার প্রসারের পথে বাধা হতে পারে না। এই বইটির পরতে পরতে কেলার আমাদের শেখান, সহমর্মিতা এবং অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমেই মানুষ তার ক্ষুদ্র আমিত্বকে ছাড়িয়ে বৃহত্তর মানবতার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

তাঁর চিন্তাধারায় ‘খোলা দরজা’ হল সেই মানসিক বাতায়ন, যা প্রতিকূলতার মাঝেও মানুষকে আশার আলো এবং অন্যের প্রতি মমত্ববোধের পথ দেখায়। এই সময়ে তিনি মূলত আমেরিকান ফাউন্ডেশন ফর দ্য ব্লাইন্ড (AFB)-এর জন্য তহবিল সংগ্রহে মনোনিবেশ করেছিলেন, এবং কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সম্পন্ন করেছিলেন।

“I have always thought it a cardinal sin to lose heart. It is a form of spiritual suicide. Keep your face to the sunshine and you cannot see the shadows. It is what the sunflowers do.”

১৯৫৭ সালে তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গী পলি থম্পসন গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এর ফলে কেলারের ব্যাপক জনভ্রমণ শেষ হয়ে যায়, এবং তিনি কানেকটিকাটে তাঁর বাড়ি ‘আর্কান রিজ’-এ এক শান্ত জীবন বেছে নেন।

এর মূল বিষয় হল তার ‘আশাবাদের ধর্ম’— অর্থাৎ চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বিশ্বাস ও আত্মার জোরে আলো খুঁজে পাওয়ার বিশ্বাস। তিনি এই ধারণাটি তুলে ধরেন যে, মানুষের আত্মা শারীরিক ইন্দ্রিয়ের বাইরেও ‘দেখতে’ এবং ‘শুনতে’ পায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, প্রকৃত জ্ঞান ভিতর থেকে আসে।

The Open Door Review
তিনি বর্ণনা করেছেন, কীভাবে তার সম্পর্কগুলো— বিশেষ করে শিক্ষক অ্যান সুলিভানের সঙ্গে সম্পর্ক— ছিল সেই ‘প্রকৃত দরজা’

“I have always thought it a cardinal sin to lose heart. It is a form of spiritual suicide. Keep your face to the sunshine and you cannot see the shadows. It is what the sunflowers do.”

‘ওপেন ডোর’ বা ‘খোলা দরজা’ হল সেই সুযোগ ও সৌন্দর্যের রূপক, যা শারীরিক অক্ষমতা নির্বিশেষে সবার জন্য উন্মুক্ত। তিনি বর্ণনা করেছেন, কীভাবে তার সম্পর্কগুলো— বিশেষ করে শিক্ষক অ্যান সুলিভানের সঙ্গে সম্পর্ক— ছিল সেই ‘প্রকৃত দরজা’, যা তাঁকে একাকিত্ব থেকে বের করে প্রেম ও সেবার জগতে নিয়ে এসেছিল। এক সীমাহীন ইচ্ছাশক্তির প্রতিচ্ছবি হল হেলেন কেলার। মানুষের শারীরিক সীমাবদ্ধতা যে তার আত্মার অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে পারে না, তার উজ্জ্বলতম দৃষ্টান্ত হেলেন কেলার। শৈশব থেকেই দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি হারিয়েও তিনি বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের কাছে আশার আলো হয়ে আছেন। তাঁর জীবন ও দর্শনের মূল ভিত্তি ছিল অদম্য সাহস, প্রখর দৃষ্টিভঙ্গি এবং অটল আশাবাদ।

ভাগ্যের কাছে আত্মসমর্পণ না করে, মুক্ত আত্মার মতো পরিবর্তনের মোকাবিলা করাই প্রকৃত শক্তি। অন্ধকার ও নিস্তব্ধতার মাঝে বাস করেও তিনি যে জ্ঞান ও পরিচিতি অর্জন করেছেন, তা কেবল তাঁর অসীম সাহসের কারণেই সম্ভব হয়েছে।

হেলেন কেলার বিশ্বাস করতেন, জীবন কখনও এক জায়গায় থেমে থাকে না। তিনি বলেছিলেন, ‘সুখের একটি দরজা বন্ধ হলে অন্যটি খুলে যায়।’ মানুষ প্রায়শই হারানো সুযোগ বা অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে এতটাই শোকাতুর থাকে যে, বর্তমানের নতুন সম্ভাবনাগুলো তার চোখে পড়ে না। তাঁর জীবন আমাদের শেখায় যে, যা হারিয়ে গেছে তার জন্য আক্ষেপ না করে যা অবশিষ্ট আছে, তা দিয়েই নতুন করে শুরু করা সম্ভব।

তাঁর মতে, জীবন কোনও নিরাপদ আড়াল নয়, বরং এটি একটি দুঃসাহসিক অভিযান। ভাগ্যের কাছে আত্মসমর্পণ না করে, মুক্ত আত্মার মতো পরিবর্তনের মোকাবিলা করাই প্রকৃত শক্তি। অন্ধকার ও নিস্তব্ধতার মাঝে বাস করেও তিনি যে জ্ঞান ও পরিচিতি অর্জন করেছেন, তা কেবল তাঁর অসীম সাহসের কারণেই সম্ভব হয়েছে।

The Open Door Review
হেলেন কেলারের একটি অত্যন্ত বজ্রধর্মী উক্তি হল— ‘অন্ধ হওয়ার চেয়েও খারাপ বিষয় হল চোখ থেকেও দৃষ্টিভঙ্গি না থাকা।’ 

হেলেন কেলারের একটি অত্যন্ত বজ্রধর্মী উক্তি হল— ‘অন্ধ হওয়ার চেয়েও খারাপ বিষয় হল চোখ থেকেও দৃষ্টিভঙ্গি না থাকা।’ তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, কেবল চোখের আলো থাকলেই মানুষ সঠিক পথ দেখতে পায় না; জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বুঝতে প্রয়োজন অন্তর্দৃষ্টি বা ‘ভিশন’। শারীরিক অন্ধত্ব সত্ত্বেও তিনি তাঁর অন্তরের আলো দিয়ে জগতকে যেভাবে দেখেছিলেন, তা অনেক সুস্থ মানুষের পক্ষেও অসম্ভব।

তাই তিনি বলতে পেরেছেন, ‘The only lightless darkness is the night of ignorance and insensibility. We differ, blind and seeing, one from another, not in our senses, but in the use we make of them, in the imagination and courage with which we seek out a world beyond our reach.’ 

হেলেন কেলারও তাঁর জীবনে এই ‘স্বর্গীয় আলো’ বা ‘Celestial Light’-এর সন্ধান পেয়েছিলেন। মিল্টনের সেই ‘অপেক্ষা করা’ এবং কেলারের অন্ধকারের মাঝে ‘মুক্ত দরজা’ খুঁজে পাওয়া— উভয়ই প্রমাণ করে যে সীমাবদ্ধতা মানুষকে পরাজিত করতে পারে না, যদি অন্তরের দৃষ্টি জাগ্রত থাকে।

তাঁর ‘The Open Door’ পড়তে পড়তে সপ্তদশ শতাব্দীর মহাকবি জন মিল্টনের কথা মনে পড়ে। মিল্টনের সঙ্গে হেলেন কেলারের এক বিস্ময়কর আত্মিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়। মিল্টনের ‘স্বর্গীয় আলো’ ও হেলেন কেলারের অন্তর্দৃষ্টি যেন একাত্ম হয়ে আছে। মিল্টন যখন দৃষ্টিশক্তি হারান, তখন তাঁর সনেট ‘অন হিজ ব্লাইন্ডনেস’-এ (On His Blindness) ঈশ্বরের প্রতি অভিমান ও পরে এক গভীর উপলব্ধির কথা ব্যক্ত করেন। মিল্টন বুঝেছিলেন যে, শারীরিক সক্ষমতা হারিয়েও কেবল ধৈর্য ও বিশ্বাসের মাধ্যমে ঈশ্বরের সেবা করা সম্ভব। তিনি লিখছেন,

“When I consider how my light is spent
Ere half my days in this dark world and wide,
And that one talent which is death to hide
Lodg’d with me useless, though my soul more bent
To serve therewith my Maker, and present
My true account, lest he returning chide,
“Doth God exact day-labour, light denied?”
I fondly ask. But Patience, to prevent
That murmur, soon replies: “God doth not need
Either man’s work or his own gifts: who best
Bear his mild yoke, they serve him best. His state”

The Open Door Review
জন মিলটন

হেলেন কেলারও তাঁর জীবনে এই ‘স্বর্গীয় আলো’ বা ‘Celestial Light’-এর সন্ধান পেয়েছিলেন। মিল্টনের সেই ‘অপেক্ষা করা’ এবং কেলারের অন্ধকারের মাঝে ‘মুক্ত দরজা’ খুঁজে পাওয়া— উভয়ই প্রমাণ করে যে সীমাবদ্ধতা মানুষকে পরাজিত করতে পারে না, যদি অন্তরের দৃষ্টি জাগ্রত থাকে। মিল্টনের সেই সংগ্রাম— ‘সেই একটি প্রতিভা যা লুকিয়ে রাখা মৃত্যুর সমান’ এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর উপলব্ধি যে ‘তারাও সেবা করে যারা শুধু দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে’— কেলারের হতাশাময় জীবন থেকে আধ্যাত্মিক স্বীকৃতির পথে যাত্রাকেই প্রতিফলিত করে।

কেলারের দর্শনের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল জনসেবা ও একাত্মতা। তিনি বিশ্বাস করতেন, একা পথ চলা কঠিন, কিন্তু ‘একসঙ্গে আমরা অনেক কিছু করতে পারি।’ ভালবাসা এবং অন্যের প্রতি সেবার মাধ্যমেই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা খুঁজে পাওয়া যায়। এটিই ছিল তাঁর জীবনের সেই ‘মাস্টার কি’ বা মূল চাবিকাঠি, যা দিয়ে তিনি বিশ্ব জয়ের রহস্য উন্মোচন করেছিলেন।

হেলেন কেলারের জীবন আমাদের শেখায় যে, প্রতিকূলতা আসবেই, কিন্তু ইতিবাচক মানসিকতা ও আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনও বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। তাঁর ‘সুখের পথ’ ছিল অন্তরের আলোয় উদ্ভাসিত।

তিনি লিখছেন, ‘Science may have found a cure for most evils; but it has found no remedy for the worst of them all—the apathy of human beings. My life has been happy because I had wonderful friends and plenty of interesting work to do. I seldom think about my limitations, and they never make me sad. Perhaps there is just a touch of yearning at times; but it is vague, like a breeze among flowers. The wind passes, and the flowers are content. Together we can do so much.’

হেলেন কেলারের জীবন আমাদের শেখায় যে, প্রতিকূলতা আসবেই, কিন্তু ইতিবাচক মানসিকতা ও আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনও বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। তাঁর ‘সুখের পথ’ ছিল অন্তরের আলোয় উদ্ভাসিত। আজও তাঁর বাণী আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনকে কেবল বেঁচে থাকার জন্য নয়, বরং একটি অর্থবহ অভিযানে রূপান্তর করার জন্যই আমরা পৃথিবীতে এসেছি, “Security is mostly a superstition. It does not exist in nature, nor do the children of men as a whole experience it. Avoiding danger is no safer in the long run than outright exposure. Life is either a daring adventure, or nothing.”

পরের পর্বে সমাপ্য়

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Please login to bookmark Close
Picture of বিবেক চট্টোপাধ্যায়

বিবেক চট্টোপাধ্যায়

জন্ম কলকাতায়। কবি, প্রাবন্ধিক ও গ্রন্থ আলোচক। বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর কবিতা, প্রবন্ধ ও নিবন্ধ নিয়মিত প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি তিনি চিত্রনাট্যও লেখেন। তিনি একজন নাট্যকর্মী, আবৃত্তিকার ও সঞ্চালক। বর্তমানে ভাষা সংসদ ও অনুবাদ পত্রিকার সহ-সম্পাদক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ 'হলোকাস্টের ডায়েরি'। সম্পাদিত গ্রন্থ চারটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

The Banglalive's Picks

Weekly Newsletter

Enjoy our flagship newsletter as a digest delivered once a week.

By signing up, you agree to our User Agreement and Privacy Policy & Cookie Statement.

Please login to bookmark Close
'রক্তবীজ' সিনেমাটি যাঁরা দেখেছেন, তাঁদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে ভারতের রাষ্ট্রপতির চরিত্রে ভিক্টর ব্যানার্জি এবং তাঁর দিদির ভূমিকায় অনুসূয়া মজুমদার অভিনয় করেছিলেন। ছবিতে দু’জনে যে বিশাল অট্টালিকায় বসে গল্প করছিলেন, সেটি ছিল হাওড়া জেলার পাঁচলা ব্লকের বেলকুলাই গ্রামের দাস পরিবারের বাসস্থান। লিখছেন অমিতাভ গুপ্ত...
Please login to bookmark Close
প্রতিদিন সকালে মুম্বাই শহর জেগে ওঠার আগেই শহরতলিতে ধোপদুরস্থ সাদা পোশাক ও সাদা মরাঠি টুপি পরিহিত প্রায় হাজারখানেক ডাব্বাওয়ালাদের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়ে যায়। মুম্বাই ও শহরতলির অফিস কর্মচারীদের বাড়ি বা কোঅপারেটিভ সোসাইটি তথা ফ্ল্যাট থেকে দুপুরের খাবার নিয়ে তাঁদের কর্মস্থলে পৌঁছে দেন। লিখছেন মধুছন্দা মিত্র ঘোষ...
Please login to bookmark Close
আর মাত্র ক’টা দিন, তারপরেই আবার সেই পশ্চিমের অচেনা সমুদ্রতীর— বম্বে। যাওয়ার আগে গুছিয়ে রেখে যেতে হবে অনেক কিছু। সবচেয়ে বড় দায়িত্ব, পুত্র পঞ্চমকে এবার স্কুলে ভর্তি করানো। সুরের দুনিয়ায় পা রাখার আগে ওর জীবনের একটা শক্ত ভিত তৈরি হওয়া চাই। সিদ্ধান্ত পাকা— আপাতত পঞ্চম তার মা মীরার কাছে এই কলকাতাতেই থাকবে। লিখছেন সুতীর্থ দাশ...

Subscribe

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com