Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

পুরানো সেই কাপের কথা

দিলীপ কুমার ঘোষ

জুন ২৯, ২০২৬

FIFA World Cup
Bookmark (0)
Please login to bookmark Close
(FIFA World Cup)

জীবনে প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল এল ’৮৬-তে। তার আগে আসেনি, কারণ আসার সম্ভাবনা প্রায় ছিল না। প্রথমত, পাড়ার মাঠে বল পেটালেও আন্তর্জাতিক ফুটবল বোঝার বয়স হয়নি; দ্বিতীয়ত, আমাদের এখানে টিভি ছিল অপ্রতুল। তাছাড়া টিভিতে পুরো বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচারও সেভাবে শুরু হয়নি। আমার দশ বছর বয়সে আসা বিশ্বকাপ ফুটবলকে সাপটে জড়িয়ে ধরলাম। হাফপ্যান্ট পরা সেই সময়ে অন্য কিছুকে জাপটে ধরার স্বপ্ন-কল্পনা সেভাবে পক্ষবিস্তার করতে শুরু করেনি। আর তাই মনে হয়, শুধুই বিশ্বকাপকে জড়িয়ে ধরতে সুবিধা হয়েছিল।

ক্লাস ফাইভের হাফ-ইয়ারলির সেই সময়ে বিশ্বকাপ এসে পড়াশোনাকে মাঠের বাইরে জাস্ট উড়িয়ে দিল। গোল্লায় গেল পড়াশোনা, সবুজ মাঠের ভিতরে গড়ানো গোল্লায় মনপ্রাণ সমর্পণ করলাম। অবশ্য সবুজ বলছি বটে, আসলে তখন আর টিভির পর্দায় রং কোথায়, সবই সাদা-কালো! কিন্তু ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট জীবনও যে এমন রঙিন মৌতাত নিয়ে হাজির হতে পারে, সে সম্পর্কে কোনও পূর্ব ধারণা ছিল না। তাই ক্রিকেটের পরিভাষায় যাকে বলে পুরো ‘ক্লিন বোল্ড’ হয়ে গেলাম।


আরও পড়ুন: সেই মনে পড়ে জ্যৈষ্ঠের ঝড়


ইলেকট্রিক না-থাকা ‘বারো ঘর এক উঠোন’ বাড়িতে, বাড়িরই এক ছাদে গরমের জ্বালাতে শুয়ে অন্যান্য বছরের মতো সে বছরও তখন সমবেত রাত্রিযাপন পর্ব চলছে। কিন্তু টাঙানোর অসুবিধাতে মশারি না-থাকা সেই ছাদে শোওয়া টকের জ্বালায় তেঁতুলতলায় বাসের সমান। মশার উপদ্রবে রাতে ঘুমের থেকে বেশি জেগে কাটাতে হয়। অবশ্য সেটাই কাজে লেগে গেল। রাত জেগে বিশ্বকাপ দেখা শরীরে কোনও আলাদা অসুবিধা তৈরি করতে পারল না।

হইহই করে পাড়ার দলবদ্ধ যত ছোঁড়া রাতদুপুরে জুটতে শুরু করলাম দু’মিনিট হেঁটে বিল্টুকাকাদের বাড়িতে। পুরনো দিনের বড় ঘর। দৈর্ঘ্য-প্রস্থে দশাসই। কমসে কম ৪০০ স্কোয়ার ফুট। ঘরের উত্তর প্রান্তে মাঝবরাবর ছিল টিভিটা। আগেকার বক্স টিভি, পোর্টেবল নয়। দক্ষিণ-পূর্বে একটা সিঙ্গল খাটে শুতেন বিল্টুকাকার শান্ত অথচ গম্ভীর জ্যেঠু। দক্ষিণ-পশ্চিমে তার থেকে বড় একটা তক্তপোশে বিল্টুকাকার শয়নশয্যা।

FIFA World Cup
রাত জেগে বিশ্বকাপ দেখা শরীরে কোনও আলাদা অসুবিধা তৈরি করতে পারল না

কিন্তু বিশ্বকাপের রাতে আমরা যখন সবাই মেক্সিকোতে থাকতাম, তখন গোটা পঞ্চাশেক ছেলে-ছোকরা মিলে দখল করে নিতাম সেই বড় ঘর। এমনকি বিল্টুকাকার বিছানাও বেদখল হয়ে যেত। কেবল বয়স্ক মানুষের প্রতি করুণা প্রদর্শন করেই বোধ হয় সিঙ্গেল খাটটাকে পরিত্রাণ দেওয়া হত। এবং কী আশ্চর্য! শত চিৎকার-চেঁচামেচি-উত্তেজনাতেও বিল্টুকাকার জ্যেঠু কিন্তু ঘুমিয়ে থাকতেন।

সর্দারপাড়া থেকে খেলা দেখতে আসত গণেশদা। খেলার থেকে স্টেডিয়ামের দৃশ্যাবলি গণেশদাকে বেশি আকৃষ্ট করত। আরও অনেককেও করত নিশ্চয়ই! একরাতে খেলার মাঝে ক্যামেরা যখন মাঠ থেকে ঘুরে গেল স্টেডিয়ামে, সেই সময় কোনও এক মেয়েকে সিগারেট ফুঁকতে দেখে গণেশদার সে কী উত্তেজনা! ‘এই দ্যাখ দ্যাখ, মেয়েটা কেমন সিগারেট খাচ্ছে!’ আর এক রাতে স্টেডিয়ামে ঘন হয়ে বসে থাকা খোলামেলা যুগলকে দেখে গণেশদার দিকে তাকিয়ে দেখি, গণেশদার মুখ চেপে ধরে আছে জেপি।

কী রোমহর্ষক সেই দর্শন, বোধহয় অর্জুনের বিশ্বরূপ দর্শন একমাত্র তার তুলনীয় হতে পারে। কী অলৌকিক সেই ফুটবল-স্কিল! তিনি খেলছেন পা দিয়ে, আর আমাদের মনে হচ্ছে তিনি খেলার মাঠে ফুটিয়ে তুলছেন শিল্প।

বিশ্বকাপ গড়াচ্ছে, আমাদের রাত জাগা, বোহেমিয়ান লাইফস্টাইল আরও গতি পেয়ে গেছে। গ্রীষ্মরাতের স্বপ্নে ঝরে পড়তে শুরু করেছে বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা। আম-কাঁঠালের মরশুম গড়িয়ে ডাঁসা জামরুল এসে পড়েছে। দুটো খেলার মাঝের সময়ে নবারুণ সংঘের উল্টোদিকে মিতাডাঙার কুঁড়েগুলোর লাগোয়া জামরুল গাছটা হয়ে উঠল আমাদের খেলার মাঠ। সে মাঠেও দাপাদাপি-হুড়োহুড়ি-ফাউল প্লে-পেনাল্টি কম হত না। অবশ্য যারা আরও বড় খেলুড়ে ছিল সেই বাবুল-ইন্দ্র-পল্টু গেছুড়ে-স্কিলের পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে রাতের অন্ধকারে তরতর করে চড়ে বসত বৃষ্টিভেজা নারকেল গাছে। আর গাছের উপর থেকে ছুঁড়তে থাকা ডাব-নারকেলে ভরে উঠত নারকেলতলা। তারপর সেগুলোকে নিয়ে কার দাঁত কত শক্ত তার পরীক্ষা চালাত ছেলে-ছোকরার দল।

জীবনে সেই প্রথম ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সঙ্গে পরিচয়। ইউরোপের দেশ হওয়ায় ইংল্যান্ড-ইতালি-স্পেন-ফ্রান্স-জার্মানির (তখন অবশ্য পশ্চিম জার্মানি) নাম জানা ছিল। কিন্তু লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাকে প্রথম জানলাম-চিনলাম-বুঝলাম ফুটবলের হাত ধরে। তার আগে অবশ্য পেলের নাম শুনেছিলাম। কিন্তু সেই পেলের ব্রাজিলকে ফুটবল ময়দানে এই প্রথম দেখলাম।

FIFA World Cup
লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাকে প্রথম জানলাম-চিনলাম-বুঝলাম ফুটবলের হাত ধরে

দেখলাম মারাদোনাকে। কী রোমহর্ষক সেই দর্শন, বোধহয় অর্জুনের বিশ্বরূপ দর্শন একমাত্র তার তুলনীয় হতে পারে। কী অলৌকিক সেই ফুটবল-স্কিল! তিনি খেলছেন পা দিয়ে, আর আমাদের মনে হচ্ছে তিনি খেলার মাঠে ফুটিয়ে তুলছেন শিল্প। শিল্প কাকে বলে মারাদোনার হাত (পা) ধরে সেই প্রথম চিনতে শিখলাম। জীবনে এরপর আর নতুন করে আমাকে শিল্প শিখতে হয়নি। হ্যাটস্ অফ টু মারাদোনা। আপনি আমাকে শিল্প শিখিয়েছেন।

প্রাথমিক পর্বে অশ্বমেধের ঘোড়ার মতো দৌড়াতে শুরু করেছিল ডেনমার্ক। কোথায় হ্যামলেটীয় দোলাচল! তার বদলে দু’বারের বিশ্বকাপজয়ী উরুগুয়েকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে এলেকজায়ারের ডেনমার্কের সদর্প ঘোষণা— ‘উই আর রেড, উই আর হোয়াইট/ উই আর ড্যানিশ ডিনামাইট’ খবরের কাগজে পড়ি আর শিহরিত হই। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ডেনমার্ক সহজেই হারিয়ে দিল পশ্চিম জার্মানিকে। কিন্তু যে স্পেন বিশ্বকাপ শুরুই করেছিল ব্রাজিলের কাছে হার স্বীকার করে, তাদের হাতেই কি না প্রি-কোয়ার্টারে মাত হয়ে গেল ‘ড্যানিশ ডিনামাইট’! ভাবা যায়, স্পেনের পক্ষে স্কোর দাঁড়াল ৫-১! বুত্রাগুয়েনো হ্যাটট্রিকসহ একাই চার গোল করে ছিঁড়ে খেলেন ডেনমার্ককে।

কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। ঝলসে উঠল আর্জেন্টিনীয় দলনায়ক দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনার মাথা (পরবর্তীতে তাঁর স্বীকারোক্তিতে জানা যাবে সেই ‘মাথা’ আসলে ছিল ‘হ্যান্ড অফ গড’) এবং বাম পা।

ফ্রান্সের সঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করতে না পেরে খলনায়ক হয়ে গেলেন জিকো। সক্রেটিস-কারেকার অনবদ্য ফুটবলও বাঁচাতে পারল না ব্রাজিলকে। ব্রাজিলের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের নব্বই শতাংশ ফুটবলপ্রেমী টিভি দর্শকের বিশ্বকাপ ফুটবলও শেষ হয়ে গেল। অনেকে আবার নতুন করে বুক বাঁধল আর্জেন্টিনাকে নিয়ে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। ঝলসে উঠল আর্জেন্টিনীয় দলনায়ক দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনার মাথা (পরবর্তীতে তাঁর স্বীকারোক্তিতে জানা যাবে সেই ‘মাথা’ আসলে ছিল ‘হ্যান্ড অফ গড’) এবং বাম পা।

মাঝমাঠ থেকে বল ধরে টার্ন নিয়ে গতি এবং স্কিলের সাহায্যে চার-পাঁচজন বিপক্ষ খেলোয়াড়কে নাস্তানাবুদ করে শেষ পর্যন্ত গোলকিপারকেও ড্রিবল করে, তাঁর গোলে বল ঠেলে দেওয়া দেখে আনন্দে আত্মহারা আমরা চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। আনন্দাশ্রু ফেলতে ফেলতে বুঝলাম, শুধু জাদুকরই জাদু বিস্তার করেন না, ফুটবলেও ইন্দ্রজাল রচনা করে কেউ হয়ে উঠতে পারেন ফুটবল-ঐন্দ্রজালিক। আর সেদিন থেকেই চিরতরে ঘোষিত হয়ে গেল পেলে ফুটবল সম্রাট হতে পারেন, কিন্তু ফুটবলের রাজপুত্র মারাদোনা।

FIFA World Cup
ঝলসে উঠল আর্জেন্টিনীয় দলনায়ক দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনার মাথা

প্রায় একক কৃতিত্বে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন করে মারাদোনা হয়ে উঠলেন ফুটবলপ্রেমী সকল মানুষের নয়নের মণি। আন্তর্জাতিক ফুটবল এবং মারাদোনা যেন সমার্থক হয়ে উঠলেন। এরপর থেকে, বাঙালি ফুটবল দর্শক, মারাদোনাকে ‘পুলিশম্যান মার্কিং’ করে পৌঁছে গেল ইউরোপের বিভিন্ন কুলীন ফুটবল লিগে এবং পরবর্তীতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। বাঙালির ফুটবল-দর্শন প্রকৃত অর্থে আন্তর্জাতিক করে দিয়ে গেলেন ‘৮৬-র মারাদোনা।

এরপর জীবনে একাদিক্রমে ফুটবল বিশ্বকাপ এসেছে, ফুটবল বিশ্বকাপ গেছে। ক্যামেরুনের রজার মিল্লা, ব্রাজিলের চ্যাম্পিয়ন হওয়া, স্পেনের তিকিতাকা, ফুটবলের ঈশ্বর বা জাদুকর লিওনেল ‘মায়েস্ত্রো’ মেসির নয়নাভিরাম স্কিল হর্ষের কারণ হয়েছে। বিশ্বকাপ থেকে মারাদোনার লজ্জাজনক বিদায়, জিদানের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ, জার্মানির কাছে ব্রাজিলের বিধ্বস্ত হওয়া বিষাদ বয়ে নিয়ে এসেছে। কিন্তু জীবনের সেই প্রথম বিশ্বকাপ প্রথম প্রেমের মতোই এ জীবনে চিরকালীন হয়ে রয়ে গেছে এবং আমৃত্যু চিরকালীন হয়েই থেকে যাবে।

দশ বছরের কোনও শৈশব এ বছরের বিশ্বকাপে আমেরিকা-কানাডা-মেক্সিকোর মাঠে সেই ছিয়াশির জাদু খুঁজে পাবে কি না! ঠিক ভরসা হয় না। আসলে সময়টাই এখন অনেক বদলে গেছে।

জানি না, দশ বছরের কোনও শৈশব এ বছরের বিশ্বকাপে আমেরিকা-কানাডা-মেক্সিকোর মাঠে সেই ছিয়াশির জাদু খুঁজে পাবে কি না! ঠিক ভরসা হয় না। আসলে সময়টাই এখন অনেক বদলে গেছে। পরিণত মনের মানুষ তো দূরের কথা, শৈশবও আজ আর কোনও কিছুতে বিস্ময়চকিত হয় না। তাই ফুটবল আজ যেখানেই পৌঁছাক, তা যদি গ্রহান্তরের স্কিল নিয়েও হাজির হয়, চল্লিশ বছর পরে প্রৌঢ়ত্বে পৌঁছনো আজকের কিশোরকে আর নস্টালজিক করবে না বলেই মনে হয়।

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Picture of দিলীপ কুমার ঘোষ

দিলীপ কুমার ঘোষ

পেশায় শিক্ষক দিলীপকুমার ঘোষের জন্ম হাওড়ার ডোমজুড় ব্লকের দফরপুর গ্রামে। নরসিংহ দত্ত কলেজের স্নাতক, রবীন্দ্রভারতী থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। নেশা ক্রিকেট, সিনেমা, ক্যুইজ, রাজনীতি। নিমগ্ন পাঠক, সাহিত্যচর্চায় নিয়োজিত সৈনিক। কয়েকটি ছোটবড় পত্রিকা এবং ওয়েবজিনে অণুগল্প, ছোটগল্প এবং রম্যরচনা প্রকাশিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে 'সুখপাঠ' এবং 'উদ্ভাস' পত্রিকায় রম্যরচনা এবং দ্বিভাষীয় আন্তর্জালিক 'থার্ড লেন'-এ ছোটগল্প প্রকাশ পেয়েছে।
Picture of দিলীপ কুমার ঘোষ

দিলীপ কুমার ঘোষ

পেশায় শিক্ষক দিলীপকুমার ঘোষের জন্ম হাওড়ার ডোমজুড় ব্লকের দফরপুর গ্রামে। নরসিংহ দত্ত কলেজের স্নাতক, রবীন্দ্রভারতী থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। নেশা ক্রিকেট, সিনেমা, ক্যুইজ, রাজনীতি। নিমগ্ন পাঠক, সাহিত্যচর্চায় নিয়োজিত সৈনিক। কয়েকটি ছোটবড় পত্রিকা এবং ওয়েবজিনে অণুগল্প, ছোটগল্প এবং রম্যরচনা প্রকাশিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে 'সুখপাঠ' এবং 'উদ্ভাস' পত্রিকায় রম্যরচনা এবং দ্বিভাষীয় আন্তর্জালিক 'থার্ড লেন'-এ ছোটগল্প প্রকাশ পেয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe To Newsletter

কথাসাহিত্য

মোহনা মজুমদার
বিতস্তা ঘোষাল

সংস্কৃতি

আহার

অমৃতা ভট্টাচার্য
শমিতা হালদার
অমৃতা ভট্টাচার্য

বিহার

কলমকারী

ফোটো স্টোরি

দেবার্চন চ্যাটার্জি
নির্মাল্য চ্যাটার্জি

উপন্যাস

[adning id="384325"]
[adning id="384325"]

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com