Egg In Mythology
(Egg In Mythology)

মধ্যযাম অতিক্রান্ত। দুই চোখ এখনও টানটান করে খোলা। ভাবী সন্তানের চিন্তায় বিনতার চোখে ঘুম নেই। স্বামীর কাছে তার সতীন বোন বর চেয়েছিল হাজারটি সন্তানের। কিন্তু সে চেয়েছিল মাত্র দুটি সন্তান। তবে শর্ত দিয়েছিল। শর্ত দিয়েছিল, বোনের সন্তানের থেকে তাঁর সন্তান দুটি যেন বেশি বলশালী হয়। যথাসময়ে কদ্রুর হাজারটা ডিম ফুটে হাজারটা সাপের জন্ম হল। অথচ তার ডিমের ভিতর থেকে কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না এখনও। 

ভাবী সন্তানদের ঘরে গিয়ে একটি ডিম ফাটিয়েই ফেলল সে।

দুশ্চিন্তা আর তীব্র কৌতূহল বিনতাকে বিছানা ছাড়া করল। ভাবী সন্তানদের ঘরে গিয়ে একটি ডিম ফাটিয়েই ফেলল সে। ফাটাতে দেখা গেল, ভ্রুণটি তখনও অপরিণত। অরুণ নামের সেই সন্তান জন্মমাত্রই তার মাকে অভিশাপ দিল। বোনকে ঈর্ষা করতে গিয়ে নিজের সন্তানকে সম্পূর্ণ শরীর ছাড়া জন্ম দিয়েছিল বিনতা। অরুণ তাই শাপ দিল— বিনতাকে কদ্রুর দাসী হয়ে থাকতে হবে। আরেকটি ডিম ফুটলে, সেই সন্তান তাকে শাপমুক্ত করবে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দ্বিতীয় ডিমটি ফুটে জন্ম হয় গরুড়ের। শেষমেশ সে তার মাকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করে। তবে দুই বোনের ঈর্ষা তাদের সন্তানদের মধ্যেও চুঁয়ে পড়ে।


আরও পড়ুন: ‘ট্রাস্ট ইস্যু’র রাজনীতি


এমনিতে দেখতে আপাতনিরীহ হলেও, ডিম জিনিসটির অভিঘাত বড় শক্তিশালী। বিশ্বের বিবিধ ধর্ম ও পুরাণে ডিম স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। কদ্রু ও বিনতার কাহিনির পাশাপাশি মহাভারতের অন্যান্য উপকাহিনিতেও ডিমের উল্লেখ রয়েছে। সে ডিম কখনও সরীসৃপের, কখনও পাখির, কখনও বা মাছের। মাছের ডিমের বিচিত্র কাহিনিটি লেখার একদম শেষে অপেক্ষা করছে পাঠকদের জন্য।

মহাভারত ও হিন্দু ধর্মের নানা পুরাণ ছাড়াও, বিশ্বের অন্যান্য ধর্ম-পুরাণেও একইভাবে দেখা মেলে ডিমের। কখনও সেই ডিম জন্মের কথা বলে, কখনও বা বলে পুনর্জন্মের কাহিনি। বহু লোকধর্মে ডিম যেমন স্বয়ং দেবতার জন্মদাত্রী। প্রাচীন গ্রিসের অন্যতম জনপ্রিয় ধর্ম ছিল অর্ফিজম। অর্ফিজমের একটি জনপ্রিয় প্রতীক হল সর্পবেষ্টিত ডিম। অর্ফিকদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, এই ডিমই তাদের আদিদেবতা ফানেসের জন্ম দেয়। পরে ফানেস থেকে জন্ম নেন অর্ফিজমের অন্যান্য দেবদেবী।

মিশরীয় লোককথায় সূর্যদেবতা রা-এর জন্মদাতা যেমন ইবিস পাখি। জ্ঞান ও চাঁদের দেবতা থোথ-এর বাহন ইবিস ডিম পেড়েছিল অনন্ত বারিধির মধ্যে ভেসে ওঠা একটি ছোট্ট ঢিবির উপর। সেই ডিম থেকেই জন্ম নিয়ে চারদিক আলোয় আলো করে দিলেন সূর্যদেব রা।

জন্মের পাশাপাশি পুনর্জন্মের প্রসঙ্গ এলে পিছিয়ে যেতে হয় আজ থেকে দু’হাজার বছর আগে। সেই সময় এক বিশেষ শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত তিনটি দিনের কাহিনি আজও ডিমের খোলস থেকে গর্ভ পর্যন্ত লোকধর্মের দৃঢ়তায় গাঁথা।

শুধু খ্রিস্টানরা নন, নানা রঙে ডিম রাঙানোর রেওয়াজ দেখা যায় ইরানিদের মধ্যেও। নওরোজ তাদের সুপ্রাচীন উৎসব। বসন্ত বিষুবের সময় আয়োজিত হয়। ইস্টারের মতোই নতুন বছর শুরুর সেই উৎসবে আলো হয়ে থাকে বাহারি রঙে রাঙানো রাশি রাশি ডিম।

সেই শুক্রবারের কাহিনি পাঠকদের নিয়ে যাবে জেরুজালেম-পার্শ্ববর্তী গলগোথায়। খর দুপুরে সেদিন এক তরুণ যুবককে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড দিতে। ক্রুশের গায়ে তাঁকে বিদ্ধ করা হল। হাত-পায়ে পেরেক ঠুকে রাখা হল দীর্ঘক্ষণ। ভক্তদের চোখের জল তাঁকে বিদায় জানালেও যুবকটি ফিরে এসেছিলেন ভালবাসার অমোঘ টানে। 

মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার দুই দিন পর, তৃতীয় দিনে তিনি ফিরে এসেছিলেন তাঁর ভক্তদের কাছে। দিনটি ছিল রবিবার, খ্রিস্টধর্মের মানুষের কাছে সেদিন থেকেই দিনটি ঈশ্বরপুত্রের রেজারেকশনের দিন— ‘ইস্টার সানডে’। ইস্টার সানডে-তে ডিমকে নানা রং করে সাজানোর প্রথা রয়েছে। একটা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ইস্টার এগের রং হত গাঢ় লাল, আদতে যা রক্তের রঙ। আজও ঈশ্বরপুত্রের পুনর্জন্মের প্রতীক এই ডিম। ডিমের বাইরের সাদা খোলস ক্রুশের ও ভিতরের হলদে অংশ ওই অনিন্দ্যকান্তি দেহের প্রতিরূপ হয়েই হয়তো বেঁচে থাকবে পৃথিবীর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। 

১৮০০০ বছর ধরে ডিমের ভিতর নিদ্রামগ্ন ছিলেন পাঙ্গু।

শুধু খ্রিস্টানরা নন, নানা রঙে ডিম রাঙানোর রেওয়াজ দেখা যায় ইরানিদের মধ্যেও। নওরোজ তাদের সুপ্রাচীন উৎসব। বসন্ত বিষুবের সময় আয়োজিত হয়। ইস্টারের মতোই নতুন বছর শুরুর সেই উৎসবে আলো হয়ে থাকে বাহারি রঙে রাঙানো রাশি রাশি ডিম।

লোকধর্ম ও লোককাহিনির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে বিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব। দেবতার জন্ম আর মহাজগতের সৃষ্টিরহস্য সেই সব কাহিনির গর্ভে কখন যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। প্রায় সব ধর্মেই মহাজগৎ সৃষ্টির রহস্য নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তত্ত্ব রয়েছে। আর, এই তত্ত্বগুলির মধ্যে একাই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে ডিম ও তার নানা অংশ। 

ইতিমধ্যে একটি পাখি ডিম পাড়ার জন্য শুষ্ক স্থানের খোঁজ করছিল। হঠাৎ তার চোখে পড়ে জলের উপর একটি ঢিবি, যা আসলে ইলমাতারের হাঁটু। সেই হাঁটুর উপরেই তখন সাতটি ডিম পাড়ে পাখিটি।

ফিনিশ লোককথা মতে যেমন, হাজার হাজার বছর আগে চারিদিকে শুধুই অনন্ত জলরাশি আর আকাশ-বাতাস ছিল। এর মধ্যেই একদিন কুমারী দেবী ইলমাতার আকাশ থেকে সাগরে নেমে আসছিলেন। আসার পথে বাতাসের সংস্পর্শে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। কালেভালা মহাকাব্যের পাতা উল্টালে জানা যাবে, সেই তখন থেকেই তিনি জলে ভাসমান। যুগের পর যুগ ধরে। 

ইতিমধ্যে একটি পাখি ডিম পাড়ার জন্য শুষ্ক স্থানের খোঁজ করছিল। হঠাৎ তার চোখে পড়ে জলের উপর একটি ঢিবি, যা আসলে ইলমাতারের হাঁটু। সেই হাঁটুর উপরেই তখন সাতটি ডিম পাড়ে পাখিটি। ডিম পাড়ার পর, তা দিতে শুরু করে। সেই তাপে ইলমাতারের অস্বস্তি হতেই তিনি হাঁটু ঝাঁকান। ভেঙে যায় ডিম। ভাঙা ডিম থেকে জন্ম নেয় এই মহাজগত। ডিমের নিচের খোসা থেকে জন্ম হয় পৃথিবীর। ডিমের হলুদ অংশ জন্ম দেয় সূর্যের ও সাদা অংশ চাঁদের।

Egg In Mythology
সেই হাঁটুর উপরেই তখন সাতটি ডিম পাড়ে পাখিটি।

ইউরোপের উত্তর প্রান্ত ছেড়ে এশিয়ার পূর্ব প্রান্তে এলে এই ডিমেই খুঁজে পাওয়া যাবে পৃথিবীর প্রথম জীবন্ত সত্ত্বা। চিনের উপকথা অনুযায়ী, পৃথিবীতে তখন গাঢ় অন্ধকার ও মহাবিশৃঙ্খলা। ধীরে ধীরে সেই বিশৃঙ্খলের মধ্যে ঘণীভূত হতে শুরু করে মহাবিশ্বের দুই বিপরীত শক্তি— ‘ইন’ তথা স্ত্রীরূপী অন্ধকার ও ‘ইয়াং’ তথা পুরুষরূপী আলো। দুইয়ের মিলনে জন্ম নেন পাঙ্গু। ১৮ হাজার বছর ধরে ডিমের ভিতর নিদ্রামগ্ন ছিলেন তিনি। 

দীর্ঘকাল শক্তিসঞ্চয় করে ক্রমে এক দানবের রূপ নেন পাঙ্গু। অবশেষে তার ঘুম ভাঙলে খোলস ফেটে যায় ডিমের। সাদা স্বচ্ছ অংশ থেকে জন্ম হয় আকাশের। হলদে অংশ থেকে জন্ম হয় পৃথিবীর। তাঁর নিশ্বাস হয়ে ওঠে পৃথিবীর বাতাস ও মেঘ। বাম চোখ হয় সূর্য আর ডান চোখ চাঁদ। ধীরে ধীরে ডিমস্থ পাঙ্গু খোলস ভেঙে হয়ে ওঠেন মহাজগতের গাঠনিক একক।

ইউরোপ থেকে যদি আফ্রিকায় আসা হয়, তাহলে লোকজীবন পেরিয়ে লোকোত্তর জীবনে পা রাখবে ডিমকে ঘিরে ঘণীভূত বিশ্বাস। প্রাচীন মিশরীয়রা যেমন মনে করতেন ডিম মৃত্যুপরবর্তী জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ। মৃত মানুষকে পরবর্তী জীবনের সুখস্বাচ্ছন্দ্য দিতে তাই মমির পাশে ডিম রাখা হত উপহার হিসেবে।  

একদিকে যেমন লোকধর্ম মেনে ডিম হয়ে উঠেছে দেবতার গর্ভ, অন্যদিকে তেমনই লোকবিশ্বাস মেনে স্থান করে নিয়েছে মানুষের নানা প্রতীকী আচারে। সতেরো শতকের ফ্রান্সে কনেরা ডিম ফাটাতেন গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রশস্ত করার জন্য। নবদম্পতির বিছানায় ডিম রাখার রেওয়াজও ছিল সেই সময়। জার্মানির কৃষকরা আবার প্রাচীন লোকবিশ্বাস মেনে লাঙলে ডিমের হলদে অংশ মাখাত ভাল ফসল পাওয়ার আশায়। মেক্সিকো ও লাতিন আমেরিকায় আজও প্রচলিত ‘ওভো’ প্রথা। এই প্রথায় একটি কাঁচা ডিম রোগীর শরীরে বোলানো হয়, যাতে তাঁর উপরে থাকা সমস্ত নেতিবাচক শক্তি শুষে নেওয়া যায়। এরপর একটি জলের পাত্রে ডিমটি ডুবিয়ে তার আকৃতি দেখে রোগ নির্ণয় বা ভাগ্যগণনা করা হয়।

ভাগ্যগণনায় ডিমের ভূমিকা দেখা যাবে আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে ইউরোপে এলেও। প্রাচীন গ্রিস, রোম এবং স্কটল্যান্ডে, ডিমের সাদা অংশ গরম জলে ঢেলে ভাগ্য নির্ধারণ করা হত। গরম জলে সাদা অংশটির আকার দেখে ভবিষ্যৎবাণী করার নাম উম্যান্সি। ডিমের সাদা অংশ জাহাজের আকার নিলে মনে করা হত ওই ব্যক্তির সমুদ্রযাত্রার যোগ রয়েছে। 

Egg In Mythology
সেই শুক্রবারের কাহিনি পাঠকদের নিয়ে যাবে জেরুজালেম-পার্শ্ববর্তী গলগোথায়।

ইউরোপ থেকে যদি আফ্রিকায় আসা হয়, তাহলে লোকজীবন পেরিয়ে লোকোত্তর জীবনে পা রাখবে ডিমকে ঘিরে ঘণীভূত বিশ্বাস। প্রাচীন মিশরীয়রা যেমন মনে করতেন ডিম মৃত্যুপরবর্তী জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ। মৃত মানুষকে পরবর্তী জীবনের সুখস্বাচ্ছন্দ্য দিতে তাই মমির পাশে ডিম রাখা হত উপহার হিসেবে।  

হিন্দুদের পুরাণে মৎসগর্ভস্থ ডিমের উল্লেখ মেলে, সে কথা আগেই বলা হয়েছে। এবার মাছের ডিম থেকে মহাভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক নারীর জন্মকথা বলে শেষ করা যাক। চেদি রাজ্যের রাজা উপরিচর যেদিন মৃগয়ায় গেলেন, সেদিন এই কাহিনির সূত্রপাত হয়।

মৃগয়ায় গিয়েও সেদিন ঋতুমতী স্ত্রীর কথা বারবার মনে পড়ছিল রাজার। স্ত্রীকে স্মরণের দুর্মর বেগে বনের মধ্যেই বীর্য স্খলিত হল তাঁর। সেই বীর্য তৎক্ষণাৎ একটি পাতায় নিয়ে এক শ্যেনপাখিকে আদেশ দিলেন রাজমাতার কাছে যাওয়ার। কিন্তু বিধি বাম। পথে যেতে যেতে ওই শ্যেনপাখির সঙ্গে আরেক শ্যেনপাখির লড়াই বেঁধে গেল তুচ্ছ কারণে। যমুনার জলে পড়ে গেল ঠোঁটে ধরে থাকা পাতাটি।

একে কন্যাসন্তান, তায় গায়ে মাছের গন্ধ। জেলেটি কন্যার নাম করলেন মৎস্যগন্ধা। বেশ কয়েক বছর পর যখন মৎস্যগন্ধা মাঝির পেশা গ্রহণ করবেন, তখন হঠাৎ একদিন তাঁর দেখা হবে পরাশর মুনির সঙ্গে। পরাশরের ঔরসে তিনি জন্ম দেবেন মহাভারত রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন বেদব্যাসের।

যমুনার জলে তখন একটি মাছের বেশে বাস করছেন অভিশপ্ত অপ্সরা অদ্রিকা। রাজা উপরিচরের বীর্য জলের ভিতর দিয়ে তার গর্ভে প্রবেশ করল। দশ মাস পর এক জেলের জালে অদ্রিকা ধরা পড়লেন। গর্ভে তখন তাঁর এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান। তাঁদের জন্ম দিয়েই আকাশপথে মিলিয়ে গেলেন অদ্রিকা। এদিকে মাছের পেটে যে পুত্র সন্তানটি হল, রাজা খবর পেয়ে তাকে দত্তক নিলেন। কন্যা সন্তানটি রয়ে গেল জেলের কাছে‌। 

Egg In Mythology
যমুনার জলে তখন একটি মাছের বেশে বাস করছেন অভিশপ্ত অপ্সরা অদ্রিকা।

একে কন্যাসন্তান, তায় গায়ে মাছের গন্ধ। জেলেটি কন্যার নাম করলেন মৎস্যগন্ধা। বেশ কয়েক বছর পর যখন মৎস্যগন্ধা মাঝির পেশা গ্রহণ করবেন, তখন হঠাৎ একদিন তাঁর দেখা হবে পরাশর মুনির সঙ্গে। পরাশরের ঔরসে তিনি জন্ম দেবেন মহাভারত রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন বেদব্যাসের। সন্তান ও সঙ্গম সুখ দেওয়ার পরিবর্তে গায়ের মেছো গন্ধ থেকে সেদিনই রেহাই পাবেন তিনি। তাঁর নতুন নাম হবে সত্যবতী। কিছুকাল পরে যখন শান্তনু তাঁকে বিবাহ করতে চাইবেন, তখন মৎস্যকন্যা শর্ত রাখবেন তাঁর সন্তানকেই সিংহাসনে বসাতে হবে। এরপর কুরু বংশের বেশ কয়েকটি প্রজন্মের রাশ ধরে থাকবেন সত্যবতীই। পাণ্ডুর মৃত্যুর পর সন্ন্যাস না নেওয়া পর্যন্ত, তিনিই নিয়ন্ত্রণ করবেন মহাভারতের আদিপর্বের রাজনীতি!

তথ্যসূত্র:
রাজশেখর বসু – মহাভারত
ব্রিটানিকা
World History Encyclopedia
Myths, Culture and Feelings from the Ancient Finland – finnishmyth.org
glencairnmuseum.org – Ancient Egyptian Creation Myths: From Watery Chaos to Cosmic Egg

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Please login to bookmark Close
Picture of সংকেত ধর

সংকেত ধর

বইয়ের প্রতি অগাধ ভালবাসা। প্রিয় ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও প্রিয় বিষয় বাংলার আঞ্চলিক সংস্কৃতি। সাধারণ নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষদের জীবনধারা হয়ে উঠেছে আগ্রহের কেন্দ্র। হিন্দুস্থান টাইমস বাংলা ও এবিপি আনন্দে জীবনযাপন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাংবাদিক ছিলেন। পড়াশোনা অর্থনীতি নিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

The Banglalive's Picks

Weekly Newsletter

Enjoy our flagship newsletter as a digest delivered once a week.

By signing up, you agree to our User Agreement and Privacy Policy & Cookie Statement.

Please login to bookmark Close
মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে আমাদের পুরনো পারিবারিক বাড়িটার কথা মনে পড়লেই চোখের সামনে প্রথমে ভেসে ওঠে সকালের নরম রোদ, আর পাড়ার মোড়ের ছোট্ট দোকানটা। জ্যাঠতুতো-খুড়তুতো ভাইবোনেরা মিলে যখনই সেই দোকানের সামনে দিয়ে যেতাম, দেওয়ালে বড় বড় হরফে লেখা একটা লাইন চোখে পড়ত– ‘শাকাহারী আন্ডে’। আর আমরা সবাই হেসে গড়িয়ে পড়তাম। লিখছেন মৌসুমী দত্ত রায়...
Please login to bookmark Close
রান্নাঘরের তাকে বা ফ্রিজের ভিতর সযত্নে রাখা আপাতনিরীহ সাদামাটা এক খাদ্যবস্তু ডিম। অথচ এই খাবারটির কাছে সাহিত্য জগতের ঋণ মোটেই কম নয়। মাছ-মাংস আর শাক-সবজির জগতকে দু’দিকে ঠেলে প্রাচীন যুগ থেকে সাহিত্যের অন্দরে জাঁকিয়ে রাজত্ব করছে সে। কখনও হয়ে উঠেছে সৃষ্টির প্রতীক, কখনও বা নিরন্তর সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। কাহিনিকারদের কলমের সৌজন্যে তাই ডিম চার হাজার বছর ধরে নট আউট সাহিত্যের আঙিনায়। লিখছেন প্রত্যূষা পান...
Please login to bookmark Close
আমাদের তখন ভরা সংসার। আজকের মতো নিউক্লিয়ার যাপনের বদলে ক্রেটভর্তি ডিমের মতো পূর্ণ ছিল। মা প্রতিদিন সকালে আমাকে একটা ফুল বয়েল্ড ডিমসিদ্ধ খাইয়ে বাড়ির কাজে যেত। চঞ্চল ছিলাম তো! হয়তো দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজের মনেই বলত, ‘কবে যে হবি বড়, চুপিসাড়ে?’  লিখছেন অম্লানকুসুম চক্রবর্তী...

Subscribe

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com