(Planning Commission 5)
এনডিসি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার দিশা স্থির করে দেওয়ার পর যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে শুরু হত বিষয়ভিত্তিক স্টিয়ারিং কমিটি গঠন। স্টিয়ারিং কমিটিগুলির শীর্ষে আসীন থাকত প্ল্যানিং কমিশনের কোনও না কোনও সদস্য। সদস্যরা মন্ত্রক হিসেবে নয়, বিষয়ভিত্তিক পরিকল্পনার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানিয়ে গড়ে তুলতেন নিজের ক্ষেত্রভিত্তিক স্টিয়ারিং কমিটি। এনডিসি-র সিদ্ধান্তর সঙ্গে সমতা রেখে স্টিয়ারিং কমিটিতে তৈরি হত প্রাথমিক পর্যায়ের খসড়া নথি।
পরের ধাপ ছিল ওয়ার্কিং কমিটি। স্টিয়ারিং কমিটির খসড়া নথিতে সামগ্রিকভাবে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের অভিমুখ বর্ণিত হত। ওয়ার্কিং কমিটির দায়িত্ব সেই খসড়া থেকে নির্দিষ্ট অংশ বেছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ। একটা উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি আলোচনা করা যায়।
আরও পড়ুন: প্ল্যানিং কমিশন প্রবর্তন থেকে বিসর্জন পর্ব- ১, ২, ৩, ৪
শিল্প সংক্রান্ত স্টিয়ারিং কমিটির তৈরি নথির খুঁটিনাটি বিচার বিবেচনার জন্য প্রয়োজন অন্তত দশ-বারোটি ওয়ার্কিং কমিটি। যেমন– ১) লেদার, ২) টেক্সটাইল অ্যান্ড জুট, ৩) আয়রন অ্যান্ড স্টিল, ৪) নন-ফেরাস মেটালস্, ৫) মিনারেলস্ এক্সপ্লোরেশন, ৬) ড্রাগস্ অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস্, ৭) ফার্টিলাইজারস্, ৮) ইলেকট্রনিকস্, ৯) পেট্রো-কেমিক্যালস্, ১০) সিমেন্ট, ১১) সুগার ইত্যাদি। এইভাবে বিভিন্ন বিষয়ে স্টিয়ারিং কমিটির খসড়া প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা করত সংশ্লিষ্ট ওয়ার্কিং কমিটিগুলি।
বিভিন্ন বিষয় ও পেশার অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে প্রতিটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠিত হত। আসলে ওয়ার্কিং কমিটি ছিল পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার নথি প্রণয়নের জন্য আরও বিস্তৃত পরিসরে খুঁটিনাটি আলোচনার বন্দোবস্ত। বিভিন্ন পেশার প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞ, শিল্প-বাণিজ্য সংগঠনের প্রতিনিধি, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক থেকে শুরু করে প্রয়োজন বুঝে এনজিও, ব্যাঙ্ক, ট্রেড ইউনিয়ন, কৃষকদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁদের মতামত নেওয়া হত।

দৃষ্টান্ত হিসেবে একাদশ পঞ্চবার্ষিকী যোজনার নথি তৈরির সময়কার একটি ছোট্ট উদাহরণ বলা যেতে পারে। একাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় শিক্ষা সংক্রান্ত স্টিয়ারিং কমিটির অন্তর্গত জাতীয় ক্রীড়া নীতি স্থির করার জন্য যে ওয়ার্কিং কমিটি গঠিত হয়েছিল, তার অন্যতম সদস্য ছিলেন ফুটবলার পি. কে. ব্যানার্জি, ক্রিকেটার অজিত ওয়াড়েকর প্রমুখ।
ওয়ার্কিং কমিটির আলোচনায় কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের ও রাজ্য সরকারগুলির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকতেন। আগামী দিনে নতুন কোন কোন প্রকল্প হাতে নেওয়া উচিত, তা স্থির করার আগে বিবেচনা করা হত চালু প্রকল্পগুলো কী অবস্থায় রয়েছে। একই সঙ্গে আলোচিত হত বিভাগীয় ব্যয় বরাদ্দ। ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক প্রকল্প প্রণয়নের কাজ শুরু করত।
যে কোনও সুপারিশ প্রথমে পাঠানো হত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। সেখানে অনুমোদন পাওয়া গেলে অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করত অর্থ মন্ত্রক। তারপরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে পারত।
সমস্ত ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্ত হাতে আসার পর প্ল্যানিং কমিশনের সদস্যরা তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে গড়ে তুলতেন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার নথি। বারোটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার নথি নির্মাণের ক্ষেত্রে এই নিয়মই মেনে চলা হয়।
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নথির বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সামনে রেখে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করত। সমস্ত মন্ত্রকের প্রকল্প নিয়ে প্ল্যানিং কমিশনে আলোচনা ছিল অবশ্য কর্তব্য। অর্থ মন্ত্রকের আধিকারিকরাও এইসব আলোচনার অংশীদার হতেন। প্ল্যানিং কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাজেটে সেই নির্দিষ্ট প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ করা হত। অর্থাৎ প্ল্যানিং কমিশন প্রকল্পভিত্তিক অর্থ বরাদ্দের সুপারিশ করত।
যে কোনও সুপারিশ প্রথমে পাঠানো হত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। সেখানে অনুমোদন পাওয়া গেলে অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করত অর্থ মন্ত্রক। তারপরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করতে পারত। আঠারো মাসে বছরের চলতি ধারণার বাইরে গিয়ে রীতিমতো যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে চলত এইসব গুরুত্বপূর্ণ কাজকর্ম।

রাজ্যগুলির ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি। অর্থ মন্ত্রকের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হত। রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি দেখে প্রকল্পভিত্তিক আলোচনার পর স্থির হত রাজ্যের বার্ষিক পরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ রূপ। আধিকারিক পর্যায়ের আলোচনার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং প্ল্যানিং কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান। প্ল্যানিং কমিশনের সদস্যবৃন্দ ও আধিকারিকরাও সেই আলোচনায় উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যের জোগান দিতেন। এই আলোচনার পর রাজ্যের বার্ষিক পরিকল্পনার পরিসর বেশিরভাগ সময়ই কিছুটা হলেও বেড়ে যেত।
পুরো প্রক্রিয়ায় অর্থ মন্ত্রক যুক্ত থাকার ফলে যে কোনও পরিকল্পনা, তা সে বার্ষিক অথবা পঞ্চবার্ষিকী যাই হোক, তার আর্থিক আয়তন সংক্রান্ত একটা প্রস্তাব তৈরি করতে কোনও অসুবিধা হত না।
পরিকল্পিত অর্থনীতি প্রয়োজনীয় না অবাঞ্ছনীয়, সে বিতর্ক সন্তর্পণে এড়িয়ে একটা কথা নিশ্চিন্তে বলা যায় যে, প্ল্যানিং কমিশন ছিল ভারত সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রকের এবং রাজ্য সরকারগুলির একটি সমন্বয় মঞ্চ। রাজনৈতিক বৈরিতা-সখ্য দূরে ঠেলে রেখে প্রশাসনিক প্রধানেরা এখানে মুখোমুখি বসে স্থির করতেন বার্ষিক ও পঞ্চবার্ষিকী যোজনার আর্থিক আয়তন এবং তার অর্থ সংস্থান সংক্রান্ত হিসেবনিকেশ। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় অর্থ কোন কোন সূত্র থেকে কেন বিনিয়োগ করা হবে, তার একটা স্পষ্ট রূপরেখা প্রণয়নের এই পদ্ধতি সকলের কাছেই গ্রাহ্য ছিল।
প্রকল্প অনুসারে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিনিয়োগের পরিমাণ থেকে ঋণ-অনুদান সংক্রান্ত খুঁটিনাটি, আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থাগুলির (ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, আইএমএফ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক ইত্যাদি) বিনিয়োগ, বেসরকারি বিনিয়োগের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে সর্বোচ্চ স্তরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সরকারি ব্যবস্থায় প্ল্যানিং কমিশন যথেষ্ট গুরুত্ব পেত।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রকসমূহের চালু ও নতুন প্রকল্প নিয়েও একই পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্ল্যানিং কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে মোটের উপর সকলেই সন্তুষ্ট ছিল। বিশেষত পুরো প্রক্রিয়ায় অর্থ মন্ত্রক যুক্ত থাকার ফলে যে কোনও পরিকল্পনা, তা সে বার্ষিক অথবা পঞ্চবার্ষিকী যাই হোক, তার আর্থিক আয়তন সংক্রান্ত একটা প্রস্তাব তৈরি করতে কোনও অসুবিধা হত না।
।।দুই।।
উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্র-রাজ্য বিতর্ক-বিবাদ মেটাতে প্ল্যানিং কমিশনের ভূমিকাকে কোনও সময় অস্বীকার করা হয়নি। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবিধানিক সংস্থা না হয়েও সরকারি ব্যবস্থায় প্ল্যানিং কমিশনের যথেষ্ট গুরুত্ব ছিল। সংসদে কোনও আইন বানিয়ে সংস্থাটির জন্ম না হলেও কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রক এবং রাজ্য সরকারগুলি উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে প্ল্যানিং কমিশনের অভিমতকে অগ্রাহ্য করেনি।
জননী সুরক্ষা যোজনা চালু হওয়ার পর দেখা গেল প্রকল্পটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়নি। প্ল্যানিং কমিশনের আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় জননী সুরক্ষা যোজনার পরিষেবা যথাযথভাবে কার্যকর করতে সহায়িকা দরকার। ২০০৫ সালে তাই প্রবর্তন হল ‘আশা’ (অ্যাক্রেডিয়েটেড সোশ্যাল হেল্থ অ্যাক্টিভিস্ট) প্রকল্প।
প্ল্যানিং কমিশনের মতামত না নিয়ে সর্ব্বোচ্চ স্তর অর্থাৎ পিএমও, ক্যাবিনেট সচিবালয় এবং সবশেষে মন্ত্রিসভায় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হত না। কারণ, সকলেই জানতেন প্ল্যানিং কমিশন নামের একটা সমন্বয় মঞ্চ বা ‘বাফার জোন’ আছে। সেই বাফার জোনে যে কোনও বিষয়ে সকলে বিস্তারিত আলোচনা করে একমত হওয়ার পরেই প্ল্যানিং কমিশনের মতামত রচিত হয়েছে।
একটা উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা পরিস্কার হবে। ‘জননী সুরক্ষা যোজনা’ নামের একটা প্রকল্প একুশ শতকের গোড়ায় শুরু হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক প্রকল্পটির প্রস্তাব আনলেও নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক আপত্তি জানায়। তাদের মতে নারী ও শিশু কল্যাণ সংক্রান্ত বিষয় বলে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি তাদের হাতেই তুলে দেওয়া উচিত। বিস্তারিত আলাপ আলোচনার পরে জননী সুরক্ষা যোজনা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রকল্প হিসেবেই স্বীকৃতি পায়। প্রকল্পটি এখন সারা দেশে জনপ্রিয়।
এখানেই শেষ নয়। জননী সুরক্ষা যোজনা চালু হওয়ার পর দেখা গেল প্রকল্পটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়নি। প্ল্যানিং কমিশনের আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় জননী সুরক্ষা যোজনার পরিষেবা যথাযথভাবে কার্যকর করতে সহায়িকা দরকার। ২০০৫ সালে তাই প্রবর্তন হল ‘আশা’ (অ্যাক্রেডিয়েটেড সোশ্যাল হেল্থ অ্যাক্টিভিস্ট) প্রকল্প। এখন সারা দেশে প্রায় ১০ লক্ষ আশাকর্মী সক্রিয়।

।।তিন।।
সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রক বা রাজ্য সরকারের সঙ্গে দফায় দফায় বিভিন্ন স্তরের আলোচনার পর তৈরি হত প্রকল্পভিত্তিক চূড়ান্ত মতামত। এহেন পরামর্শের ভিত্তিতেই বার্ষিক যোজনা পাকা করা হত। বারোটি পঞ্চবার্ষিক যোজনার নথি তৈরির ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিই চলেছিল। দেশে তো বটেই আন্তর্জাতিক আঙিনায় এই নথিগুলি বরাবরই সমাদৃত। ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড (বা আইএমএফ), এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক প্রভৃতি আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থাগুলি, এমনকী রাষ্ট্রপুঞ্জও এইসব নথির ভিত্তিতে নির্ধারণ করত অনুদান-ঋণ ভিত্তিক লগ্নির পরিমাণ।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঋণদানকারীরাই দলিলটি তৈরি করে নিয়ম রক্ষার জন্যে ঋণ গ্রহণকারী দেশের মোহর লাগিয়ে নেয়। এ যেন মহাজনী প্রথার পুনরাবৃত্তি।
আবেদনকারী দেশের ‘পভার্টি রিডাকশন স্ট্র্যাটেজি পেপার’ (যা চলতি ভাষ্যে ‘পি-আর-এস-পি’) বিশ্লেষণ করে ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক এবং আইএমএফ ঠিক করে দেশটিকে কত ঋণ দেওয়া হবে, ঋণের ওপর কত শতাংশ সার্ভিস চার্জ বা সুদ নেওয়া হবে, এছাড়াও, ঋণ পরিশোধের সময়সীমা এবং আনুষঙ্গিক শর্তাদি কী হবে।

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার নথিগুলিই ভারতের পি-আর-এস-পি হিসেবে বিবেচিত হত। ঋণ গ্রহণকারী দেশগুলির মধ্যে স্বল্প সংখ্যক দেশই পি-আর-এস-পি প্রণয়নে ভারতের মতো স্বাবলম্বী। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঋণদানকারীরাই দলিলটি তৈরি করে নিয়ম রক্ষার জন্যে ঋণ গ্রহণকারী দেশের মোহর লাগিয়ে নেয়। এ যেন মহাজনী প্রথার পুনরাবৃত্তি।
পৃথিবীর সমস্ত শিক্ষায়তনে, যেখানে উন্নয়ন অর্থনীতির চর্চা হয়, সেখানেই ভারতের পরিকল্পনা নথি যথেষ্ট কদর পেয়েছে। এখনও পায়। তবে ২০১৭ সালে দ্বাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শেষ হওয়ার পরে সেই গরিমা অন্তর্হিত। নিতি আয়োগ বা অন্য কোনও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বা কোনও মন্ত্রককে পি-আর-এস-পি প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এমন খবরও প্রকাশিত হয়নি।
মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত