হেলেন কেলারের ‘দি ওপেন ডোর’: অন্তর্দৃষ্টি ও অবিনাশী চেতনার এক কালজয়ী দর্শন ২য় পর্ব

The Open Door Review 2
The Open Door Review 2

হেলেন কেলারের ‘দি ওপেন ডোর’: অন্তর্দৃষ্টি ও অবিনাশী চেতনার এক কালজয়ী দর্শন ২য় পর্ব

(The Open Door Review 2)

প্রথম পর্বের পর

এই প্রসঙ্গে আমরা মনস্তত্ত্ববিদ ও লেখক ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কলের ‘ম্যান’স সার্চ ফর মিনিং’ (Man’s Search for Meaning) বইটি স্মরণ করতে পারি। ফ্র্যাঙ্কল যুক্তি দিয়েছেন যে, ‘একজন মানুষের কাছ থেকে সবকিছু কেড়ে নেওয়া যেতে পারে, কেবল একটি জিনিস ছাড়া: মানুষের শেষ স্বাধীনতা— যেকোনও পরিস্থিতিতে নিজের মনোভাব বেছে নেওয়ার ক্ষমতা।’ হেলেন কেলারের ‘দি ওপেন ডোর’ এই মানসিক স্বাধীনতারই প্রতিচ্ছবি।


আরও পড়ুন: প্রথম পর্ব


এটিই হল সেই মূল ‘মুক্ত দরজা’ (open door) যার কথা কেলার বলেছেন— হতাশার বদলে আশাকে বেছে নেওয়ার মানসিক স্বাধীনতা। কেলারের কাছে প্রতিকূলতা ছিল কেবল একটি বদ্ধ দরজা, কিন্তু তাঁর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে সেই দরজা খুলে আলোর পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল। ফ্র্যাঙ্কলের এই বেঁচে থাকার অর্থ খোঁজার লড়াই আর কেলারের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প একই সূত্রে গাঁথা।

হেলেন কেলার রবীন্দ্রনাথের দর্শনেরও একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের ‘বিশ্বমানব’ হওয়ার ডাক এবং অন্তরের আলোকে চেনার আহ্বান কেলারের জীবনদর্শনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, ‘বিশ্বাস হল সেই পাখি যা ভোরের আলো অনুভব করে যখন আকাশ তখনও অন্ধকার’।

The Open Door Review 2
হেলেন কেলার রবীন্দ্রনাথের দর্শনেরও একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন

কেলারে ‘দি ওপেন ডোর’ মূলত এই বিশ্বাসের এক মূর্ত প্রতীক। তাঁর শারীরিক নিস্তব্ধতা ও অন্ধকার ছিল এক ‘দীর্ঘ ভোর’, যেখানে তাঁর বিশ্বাস ঠিক সেই পাখির মতোই কাজ করত— অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ শুরুর অনেক আগেই তিনি আলো আর মানবতার জগতের অস্তিত্ব অনুভব করতে পারতেন। নিজের অন্তরের চেতনার ‘দ্বার’ উন্মোচন করে তিনি কেবল নিজের বেঁচে থাকার পথই খুঁজে পাননি; বরং নিজের প্রতিকূলতাকে অন্যের জন্য এক সেতুতে পরিণত করেছিলেন।

তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে, গভীরতম মানবিক সংযোগ হৃদয় দিয়ে অনুভব করা যায়, যা শারীরিক ইন্দ্রিয়সমূহের নাগালের অনেক বাইরে। রবীন্দ্রনাথের গানে যেমন পরম সত্তার সন্ধানে অন্তরাত্মার আকুতি প্রকাশিত হয়, কেলারের জীবনেও তেমনি ব্যক্তিগত দুঃখকে ছাপিয়ে বিশ্বমানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার স্পৃহা দেখা যায়। তিনি শিখিয়েছেন, বাইরের অন্ধকার বড় কথা নয়, আসল অন্ধকার হল অন্তরের চেতনার অবলুপ্তি। তাঁর গানে এই আকুতি ফুটে ওঠে এভাবে:

এখানে ‘দুয়ার’ ভাঙা মানেই হল কেলারের সেই ‘ওপেন ডোর’— অর্থাৎ জড়ত্বের বাধা কাটিয়ে চৈতন্যের আলোয় প্রবেশ করা। রবীন্দ্রনাথের গানে পরম সত্তা কোনও দূরবর্তী ঈশ্বর নন, বরং তিনি হৃদয়ের ‘জীবনদেবতা’।

“আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে, তাই হেরি তায় সকল খানে।”

অথবা,

“ভেঙেছে দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়, তোমারি হউক জয়।”

এখানে ‘দুয়ার’ ভাঙা মানেই হল কেলারের সেই ‘ওপেন ডোর’— অর্থাৎ জড়ত্বের বাধা কাটিয়ে চৈতন্যের আলোয় প্রবেশ করা। রবীন্দ্রনাথের গানে পরম সত্তা কোনও দূরবর্তী ঈশ্বর নন, বরং তিনি হৃদয়ের ‘জীবনদেবতা’।

হেলেন কেলার কানে শুনতে পেতেন না, কিন্তু তিনি গানকে ‘স্পর্শ’ করতেন। তিনি যখন কোনও বাদ্যযন্ত্র বা গায়কের গলার উপর হাত রাখতেন, তখন কম্পনের (vibration) মাধ্যমে সেই সুর সরাসরি তাঁর আত্মার তন্ত্রীতে আঘাত করত। রবীন্দ্রনাথের একটি বিখ্যাত গান, যা কেলারের দর্শনের কথাই যেন বলে:

The Open Door Review 2
রবীন্দ্রনাথ ও হেলেন কেলার দুজনেই বিশ্বাস করতেন, মানুষের মুক্তি তার ভৌগোলিক বা শারীরিক সীমানায় নয়

“আলোকের এই ঝরণাধারায় ধুইয়ে দাও।/ আপনাকে এই লুকিয়ে-রাখা ধুলার ঢাকা ধুইয়ে দাও।”

কেলার যখন এই ধরনের আধ্যাত্মিক ভাবনার সান্নিধ্যে আসতেন, তিনি অনুভব করতেন যে আলো কেবল চোখে দেখার বস্তু নয়। তিনি লিখেছিলেন, ‘The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched – they must be felt with the heart.’

রবীন্দ্রনাথের গানে যেমন অহংকার বিসর্জন দিয়ে বিশ্বচেতনার সঙ্গে একাত্ম হওয়ার আহ্বান থাকে, কেলারও ঠিক সেই পথেই নিজের প্রতিবন্ধকতাকে ‘সেতু’ বা Bridge-এ রূপান্তর করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের আরেকটি গান ‘চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে/অন্তরে আজ দেখব যখন আলোক নাহি রে’— ঠিক যেন হেলেন কেলারের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। কেলার শৈশবে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন। বাইরের জগতের রূপ-রঙ দেখার ‘চোখের আলো’ তাঁর নিভে গিয়েছিল।

রবীন্দ্রনাথ সুর দিয়ে সেই দ্বার খোলার পথ দেখিয়েছিলেন, আর হেলেন কেলার তাঁর জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন, অন্তরের আলো থাকলে বাইরের অন্ধকার কোনও বাধাই নয়। তাঁদের এই মিলনই হল মানবতার শ্রেষ্ঠ জয়গান।

কিন্তু রবীন্দ্রনাথ যেমন বলছেন, বাইরের আলো যখন নিভে যায়, তখনই ‘অন্তরের’ সত্যকে চেনার সুযোগ আসে। কেলার তাঁর এই দৃশ্যমান অন্ধত্বকেই এক অদৃশ্য দর্শনে রূপান্তরিত করেছিলেন। একমাত্র আলো হল অন্তরের আলো। তিনি যখন বলতেন, ‘শান্তি পাওয়া যায় না যদি না আমরা বিশ্বের সকল মানুষের ব্যথার অংশীদার হই’, তখন আসলে তিনি রবীন্দ্রনাথের সেই গানেরই প্রতিধ্বনি করতেন: ‘আমারে পাছে নিজের ছায়া ঢাকে/ তাই কি তুমি দূরে থাকো একা কি?’

রবীন্দ্রনাথ ও হেলেন কেলার দুজনেই বিশ্বাস করতেন, মানুষের মুক্তি তার ভৌগোলিক বা শারীরিক সীমানায় নয়, বরং তার ‘দ্বার’ বা হৃদয়ের দরজা খুলে দেওয়ার মধ্যে। রবীন্দ্রনাথ সুর দিয়ে সেই দ্বার খোলার পথ দেখিয়েছিলেন, আর হেলেন কেলার তাঁর জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন, অন্তরের আলো থাকলে বাইরের অন্ধকার কোনও বাধাই নয়। তাঁদের এই মিলনই হল মানবতার শ্রেষ্ঠ জয়গান।

The Open Door Review 2
মনস্তত্ত্ববিদ ও লেখক ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কলের ‘ম্যান’স সার্চ ফর মিনিং’

সুফি সাধক রুমি লিখেছিলেন, ‘ক্ষত হল সেই স্থান যেখান দিয়ে আলো তোমার ভেতরে প্রবেশ করে।’ হেলেন কেলারের কাছে অন্ধত্ব ও বধিরতারূপ ‘ক্ষত’ বা আঘাতগুলো কেবল ভাগ্যের কোনও কানাগলি ছিল না; বরং এগুলো ছিল সেই প্রবেশপথ, যার মধ্য দিয়ে চেতনার এক গভীরতর ও মহাজাগতিক আলো তাঁর জীবনে প্রবেশ করেছিল। এই আত্মিক আলোকবর্তিকা এমন এক মানবতাবাদী সত্তার জন্ম দিয়েছিল, যা বিশ্বের সামগ্রিক ক্ষতগুলো সারিয়ে তুলতে সচেষ্ট ছিল।

তিনি তাঁর ‘উন্মুক্ত দ্বার’কে (Open Door) এমন এক তোরণ হিসেবে দেখতেন, যেখান দিয়ে সহমর্মিতার আলো অন্যের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে, মানুষের নিবিড়তম বন্ধন কেবল অভিন্ন দৃষ্টির মাধ্যমে গড়ে ওঠে না; বরং প্রতিকূলতাকে ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে জয় করার যৌথ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই তা সুদৃঢ় হয়।

রোমান্টিক কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর ‘ইনওয়ার্ড আই’ (Inward Eye) বা অন্তর্দৃষ্টির যে কথা বলেছেন, কেলার সেই ধারণাকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন। বাইরের চোখের অভাবকে তিনি পূরণ করেছিলেন মনের চোখের অপরিসীম কল্পনাশক্তি ও সৌন্দর্যবোধ দিয়ে।

তাই হয়তো বলতে পেরেছেন, “I believe that we should all work together to help one another, for only in that way can we hope to achieve a better world. The happiest people are those who do the most for others.”

উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর ‘আই ওয়ান্ডারড লোনলি অ্যাজ আ ক্লাউড’ (I Wandered Lonely as a Cloud) কবিতার ‘অন্তর্দৃষ্টি’ বা ‘Inward Eye’ ধারণাটি এখানে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কেলারের ‘দি ওপেন ডোর’ মূলত সেই অন্তর্দৃষ্টি ব্যবহারের একটি আহ্বান, যাতে এমন সৌন্দর্য দেখা যায়, যা সাধারণ চোখে দেখা সম্ভব নয়।

The Open Door Review 2
মনস্তত্ত্ববিদ ও লেখক ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কল

অন্যদিকে, রোমান্টিক কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ তাঁর ‘ইনওয়ার্ড আই’ (Inward Eye) বা অন্তর্দৃষ্টির যে কথা বলেছেন, কেলার সেই ধারণাকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন। বাইরের চোখের অভাবকে তিনি পূরণ করেছিলেন মনের চোখের অপরিসীম কল্পনাশক্তি ও সৌন্দর্যবোধ দিয়ে।

হেলেন কেলারের ‘দি ওপেন ডোর’ কোনও সাধারণ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়, বরং মানবাত্মার অপরাজিত শক্তির দলিল। মিল্টনের ধৈর্যশীল সহনশীলতা, রবীন্দ্রনাথের সেই ভোরের আলো-চেনা বিশ্বাস, কিংবা রুমির আলোবাহী ক্ষত— যার সঙ্গেই তুলনা করা হোক না কেন, হেলেন কেলারের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘দ্বার’গুলো আমাদের নিজেদের ভেতরেই অবস্থিত।

হেলেন কেলার আমাদের শিখিয়েছেন, ভয় পেয়ে পিছিয়ে পড়ার নাম জীবন নয়, বরং তাঁর ভাষায়— “Life is either a daring adventure or nothing. To keep our faces toward change and behave like free spirits in the presence of fate is strength undefeatable.”

বাইরের জগৎ যখন অন্ধকার হয়ে আসে, তখন অন্তরের দরজাটি খুলে দিয়ে আলোর সন্ধান করা আমাদের নিজেদেরই দায়িত্ব। কেলারের মানবতাবাদী উত্তরাধিকার তাঁর সীমাবদ্ধতা দিয়ে নয়, বরং পৃথিবীর প্রতি তাঁর অসীম সহমর্মিতা দিয়ে সংজ্ঞায়িত— যে পৃথিবী প্রায়ই নিজের দৃষ্টির অহংকারে অন্ধ হয়ে থাকে।

তিনি বলেছিলেন: “The only thing worse than being blind is having sight but no vision.” অর্থাৎ, শুধু চোখ থাকলেই দেখা যায় না; প্রকৃত দেখা হল কল্পনাশক্তি ও উদ্দেশ্য দিয়ে জগতকে উপলব্ধি করা। পরিস্থিতির ‘বদ্ধ দুয়ার’-এর ওপারে তাকানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে কেলার আমাদের সবাইকে এক অসীম সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান; তিনি প্রমাণ করেন যে হৃদয় যখন অনুভব করতে শেখে, তখন কোনও অন্ধকারই চিরস্থায়ী হতে পারে না। কেলারের এই অবিনাশী চেতনা আজও আমাদের জন্য এক আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে।

The Open Door Review 2
কেলার আমাদের সবাইকে এক অসীম সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান

পরিশেষে বলা যায়, ‘The Open Door’ কেবল একজন দৃষ্টি ও শ্রবণহীন মানুষের অভিজ্ঞতার ডায়েরি নয়, বরং এটি জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে জয় করার এক অমর ইশতেহার। হেলেন কেলার আমাদের শিখিয়েছেন, ভয় পেয়ে পিছিয়ে পড়ার নাম জীবন নয়, বরং তাঁর ভাষায়— “Life is either a daring adventure or nothing. To keep our faces toward change and behave like free spirits in the presence of fate is strength undefeatable.” ভাগ্যের নির্মম পরিহাসকে মেনে নিয়েও যারা পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মুক্ত আত্মার মতো এগিয়ে যায়, তাদের শক্তিই হল অপরাজেয়।

কেলার কেবল বাহ্যিক জগতের অন্ধকারের কথা বলেননি, বরং তিনি আমাদের শিখিয়েছেন অন্তরের আলো দিয়ে পৃথিবী দেখার শিল্প। তাঁর জীবনদর্শন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে পার্থিব সম্পদের চেয়েও মানসিক উপলব্ধির মূল্য অনেক বেশি। কারণ, তাঁর সেই চিরন্তন বাণী অনুযায়ী— “The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched- they must be felt with the heart.” মূলত, এই বইটির মাধ্যমে হেলেন কেলার পাঠকদের আধ্যাত্মিক মুক্তির সেই খোলা দরজার (Open Door) সামনে দাঁড় করিয়ে দেন, যেখানে সীমাবদ্ধতাও হয়ে ওঠে নতুন কোনও জয়ের সুযোগ।

মুদ্রিত ও ডিজিটাল মাধ্যমে সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Please login to bookmark Close
Picture of বিবেক চট্টোপাধ্যায়

বিবেক চট্টোপাধ্যায়

জন্ম কলকাতায়। কবি, প্রাবন্ধিক ও গ্রন্থ আলোচক। বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর কবিতা, প্রবন্ধ ও নিবন্ধ নিয়মিত প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি তিনি চিত্রনাট্যও লেখেন। তিনি একজন নাট্যকর্মী, আবৃত্তিকার ও সঞ্চালক। বর্তমানে ভাষা সংসদ ও অনুবাদ পত্রিকার সহ-সম্পাদক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ 'হলোকাস্টের ডায়েরি'। সম্পাদিত গ্রন্থ চারটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

The Banglalive's Picks

Weekly Newsletter

Enjoy our flagship newsletter as a digest delivered once a week.

By signing up, you agree to our User Agreement and Privacy Policy & Cookie Statement.

Please login to bookmark Close
দুর্গাপুজোর সময়ে শান্তিনিকেতন যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে সুরুলের সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো উইশলিস্টে অবশ্যই রাখা উচিত। কারণ এই বাড়িতে একটি নয়, দুটি দুর্গাপুজো হয়। বিশাল এক পুরনো অট্টালিকাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এই দুই পুজোর ঐতিহ্য। লিখছেন অমিতাভ গুপ্ত...
Please login to bookmark Close
মানুষের জীবন এক বহমান নদী, যেখানে রূপান্তরই একমাত্র ধ্রুব সত্য। এই নিরন্তর পথ চলায় কখনও প্রিয় কোনও বিচ্ছেদ, কখনও বা কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের অপমৃত্যু আমাদের থমকে দেয়। মহিয়সী হেলেন কেলারের ভাষায়, এটি যেন জীবনে ‘সুখের একটি দ্বার রুদ্ধ হয়ে যাওয়া’। লিখছেন বিবেক চট্টোপাধ্যায়। আজ প্রথম পর্ব...
Please login to bookmark Close
'রক্তবীজ' সিনেমাটি যাঁরা দেখেছেন, তাঁদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে ভারতের রাষ্ট্রপতির চরিত্রে ভিক্টর ব্যানার্জি এবং তাঁর দিদির ভূমিকায় অনুসূয়া মজুমদার অভিনয় করেছিলেন। ছবিতে দু’জনে যে বিশাল অট্টালিকায় বসে গল্প করছিলেন, সেটি ছিল হাওড়া জেলার পাঁচলা ব্লকের বেলকুলাই গ্রামের দাস পরিবারের বাসস্থান। লিখছেন অমিতাভ গুপ্ত...

Subscribe

Banglalive.com/TheSpace.ink Guidelines

Established: 1999

Website URL: https://banglalive.com and https://thespace.ink

Social media handles

Facebook: https://www.facebook.com/banglaliveofficial

Instagram: https://www.instagram.com/banglalivedotcom

Twitter: @banglalive

Needs: Banglalive.com/thespace.ink are looking for fiction and poetry. They are also seeking travelogues, videos, and audios for their various sections. The magazine also publishes and encourages artworks, photography. We however do not accept unsolicited nonfiction. For Non-fictions contact directly at editor@banglalive.com / editor@thespace.ink

Time: It may take 2-3 months for the decision and subsequent publication. You will be notified. so please do not forget to add your email address/WhatsApp number.

Tips: Banglalive editor/s and everyone in the fiction department writes an opinion and rates the fiction or poetry about a story being considered for publication. We may even send it out to external editors/readers for a blind read from time to time to seek opinion. A published story may not be liked by everyone. There is no one thing or any particular feature or trademark to get published in the magazine. A story must grow on its own terms.

How to Submit: Upload your fiction and poetry submissions directly on this portal or submit via email (see the guidelines below).

Guidelines:

  1. Please submit original, well-written articles on appropriate topics/interviews only. Properly typed and formatted word document (NO PDFs please) using Unicode fonts. For videos and photos, there is a limitation on size, so email directly for bigger files. Along with the article, please send author profile information (in 100-150 words maximum) and a photograph of the author. You can check in the portal for author profile references.
  2. No nudity/obscenity/profanity/personal attacks based on caste, creed or region will be accepted. Politically biased/charged articles, that can incite social unrest will NOT be accepted. Avoid biased or derogatory language. Avoid slang. All content must be created from a neutral point of view.
  3. Limit articles to about 1000-1200 words. Use single spacing after punctuation.
  4. Article title and author information: Include an appropriate and informative title for the article. Specify any particular spelling you use for your name (if any).
  5. Submitting an article gives Banglalive.com/TheSpace.ink the rights to publish and edit, if needed. The editor will review all articles and make required changes for readability and organization style, prior to publication. If significant edits are needed, the editor will send the revised article back to the author for approval. The editorial board will then review and must approve the article before publication. The date an article is published will be determined by the editor.

 

Submit Content

For art, pics, video, audio etc. Contact editor@banglalive.com